শিরোনাম

ঢাকা, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ২৯তম বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন না করে অবৈধভাবে ক্যাডার পদে নিয়োগের অভিযোগে সাবেক ও বর্তমান সরকারি কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক সদস্যসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ দুদক প্রধান কার্যালয়ে এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুদক জানায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে ২৯তম বিসিএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রায় ছয় মাস পর মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন না করা সত্ত্বেও ছয়জন প্রার্থীকে অবৈধভাবে প্রশাসন, পুলিশ, পরিবার পরিকল্পনা ও সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারসহ বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ প্রদান করেন।
অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় উপসচিব রকিবুর রহমান খান, উপসচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন, সহকারী পরিচালক (পরিবার পরিকল্পনা) হালিমা খাতুন, সহকারী অধ্যাপক মো. মিল্টন আলী বিশ্বাস, উপসচিব নাহিদা বারিক এবং পুলিশ সুপার খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া এসব নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সাবেক সদস্য এ. টি. আহমেদুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক সুরাইয়া বেগম, মির্জা শামসুজ্জামান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবিদুর রেজা খান, এহসান শামীম, অধ্যাপক রাশিদা বেগম, মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত, অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, সৈয়দ হাসিনুর রহমান, ইকরাম আহমেদ, অধ্যাপক ডা. ফরিদা আদিব খানম, মুহম্মদ লিয়াকত আলী খান, চৌধুরী মো. বাবুল হাসান, আ. ই. ম. নেছার উদ্দিন ও মো. লোকমান আহমদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদক জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে।