বাসস
  ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:২২

দুদকের মামলায় ফটিকছড়ির সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৮ জন কারাগারে

চট্টগ্রাম, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের মামলায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নারায়ণহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আট আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত।

আজ বুধবার সকালে আসামিরা মামলার প্রথম তারিখে আত্মসমর্পণ করার পর বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করেন। আসামিদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন। 

আদালত সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আসামিদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কবির হুসাইন বলেন, ২০১৯ সালে সংঘটিত অর্থ আত্মসাতের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করলে চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ ৮ আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্র জানায়, ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে কোনো কাজ না করেই ছয়টি উন্নয়ন প্রকল্পের সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করা হয়। এসব প্রকল্প ছিল সেতু ও সড়ক সংস্কার সংক্রান্ত। চেয়ারম্যান দোকান ভাড়ার অর্থও আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- নারায়ণহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব সুধীর কুমার পাল, মো. গিয়াস উদ্দিন ও মো. শাহাদাত হোসেন চৌধুরী; ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তৈয়ব এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. তৈয়ব; মেসার্স এম কে এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মোজাফ্ফর কামাল চৌধুরী; মেসার্স আর এন এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. রফিকুল ইসলাম এবং মেসার্স হাজি আহমদ হোসেন মীর এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. আবু তাহের।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান, সচিব ও ঠিকাদাররা পরস্পরের যোগসাজশে ছয়টি প্রকল্পের আওতায় ৭ লাখ ২৫ হাজার ৪৬৭ টাকা এবং চেয়ারম্যান দোকান ভাড়া বাবদ আরও ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।

দুদক চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক (ডিডি) সুবেল আহমেদ জানান, আদালতের আদেশ অনুযায়ী আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।