বাসস
  ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:১৭

স্ত্রীসহ সাবেক সচিব মহিবুলের ২১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মহিবুল হক। ফাইল ছবি

ঢাকা, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মহিবুল হক ও তার স্ত্রী কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা আফরোজা বেগমের নামে থাকা ২১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। 

এ ছাড়া মহিবুল হকের নামে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলা ও গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় ০৬টি দলিল মূলে ১.৭২ একর জমি, মহিবুল হকের মেয়ে মোশরেকা মৌমিতা হকের নামে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলায় ০.১২৪৩ একর জমি ও মহিবুল হকের স্ত্রী সৈয়দা আফরোজা বেগম নামে ঢাকার মহাখালী ডিওএইচএস এলাকায় ২৭০০ স্কয়ার ফিট আয়তনের  একটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকা মহানগর দায়রা জাজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মোঃ রিয়াজ হোসেন বাসস'কে জানান, আজ বুধবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, মহিবুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতপূর্বক বিদেশে পাচারসহ নিজ ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ বিষয়ে অনুসন্ধানপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। অনুন্ধানকালে প্রাপ্ত/সংগৃহীত তথ্যাদি ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মহিবুল হকের নামে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলা ও গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় ০৬টি দলিল মূলে সর্বমোট ১.৭২ একর ও তার মেয়ে  মোশরেকা মৌমিতা হকের নামে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলায় ০.১২৪৩ একর জমি রয়েছে। এছাড়া  মহিবুল হকের স্ত্রী সৈয়দা আফরোজা বেগমের নামে ঢাকার মহাখালী ডিওএইচএস এলাকায় ২৭০০ স্কয়ার ফিট আয়তনের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এছাড়া ০৮টি ব্যাংক/জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে মহিবুল হক ও তার স্ত্রী সৈয়দা আফরোজা বেগমের নামীয় সর্বমোট ২১টি হিসাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।  বিভিন্ন সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আরো জানা গেছে যে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাদের নামে অর্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির পূর্বে তাদের নামে নামে থাকা স্থাবর সম্পত্তি এবং ব্যাংক/জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে তাদের নামীয় হিসাবসমূহে রক্ষিত অর্থ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে অনুসন্ধানের ক্ষতি হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।