শিরোনাম

ঢাকা, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ঢাকার ১০টি আসনে ১৯ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
আজ মঙ্গলবার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, ঢাকার ৯টি সংসদীয় আসনে (ঢাকা-৫, ৬, ৭, ৯, ১০, ১২, ১৬, ১৭ ও ১৮) মোট ১৯ জন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারকারী প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা-৫ আসনে ৪ জন প্রার্থী নিজেদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মোখলেছুর রহমান কাছেমী, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মো. লুৎফুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এস এম শাহরিয়া এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী।
ঢাকা-৬ আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) গাজী নাসির এবং ঢাকা-৭ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তারেক আহম্মেদ আদেল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
ঢাকা-৯ আসনে দুজন প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন। তারা হলেন, খেলাফত মজলিসের মো. ফয়েজ বখশ সরকার এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কবির আহমদ।
ঢাকা-১০ আসনে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন দু’জন। তারা হলেন, খেলাফত মজলিসের আহমদ আলী এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল।
ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
ঢাকা-১৬ আসনে দু’জন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আহসানউল্লাহ এবং খেলাফত মজলিসের মো. রিফাত হোসেন মালিক।
ঢাকা-১৭ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. এমদাদুল হক প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
ঢাকা-১৮ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন- গণসংহতি আন্দোলনের বিলকিস নাসিমা রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আশরাফুল হক, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মফিজুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ (আমীন)।
উল্লেখ্য, আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক পাওয়ার পরদিন অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন জুলাই চার্টার বা সংস্কার প্রস্তাবনার ওপর গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে কমিশন সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।