শিরোনাম
ঢাকা, ৩০ আগস্ট, ২০২৫ (বাসস) : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমাদের স্বনিয়ন্ত্রণের দিকে যেতে হবে। বাংলাদেশে যেখানে যত বেশি নিয়ন্ত্রণ, সেখানে তত বেশি দুর্নীতি। তাই দেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতকে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘দেশে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে সরকারি নিয়ন্ত্রণ। তাই বেসরকারি খাতের যে হাসপাতাল, ক্লিনিক আছে, তাদের স্বনিয়ন্ত্রণের সুযোগ করে দিতে হবে।’
আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বণিক বার্তা আয়োজিত ‘বাংলাদেশ হেলথ কনক্লেভ-২০২৫’ এ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যসেবায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে দেশেই উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার অগ্রগতির লক্ষ্যকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে এই ‘বাংলাদেশ হেলথ কনক্লেভ-২০২৫’। ‘উন্নত স্বাস্থ্যসেবা সমৃদ্ধ দেশ’-শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সম্মেলনটির আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আমরা (বিএনপি) সেলফ রেগুলেশনের দিকে যাচ্ছি। আপনাদের অনুরোধ করবো পূর্ব প্রস্তুতি নেন। সেজন্য যে সক্ষমতার দরকার সেটা তৈরি করুন। মনে রাখতে হবে, প্রচলিত বিনিয়োগ নীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে। নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা থেকে বের হতে হবে।’
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ রাখা হবে জানিয়ে আমির খসরু বলেন, প্রাথমিক ও প্রতিষেধক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা (বিএনপি) একটি স্বাস্থ্য নীতি নিয়ে আসছি।
আগামীতে এ খাতে জিডিপির ৫ শতাংশের ওপরে ব্যয় করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষকে বিনামূল্যে প্রাথমিক ও প্রতিষেধক সেবা দিতে পারলে সামাজিক সুরক্ষায় খরচ কমে যাবে। একজন মানুষ যদি তার পরিবারের খরচ কমাতে পারে তাহলে তার জীবনব্যবস্থা, জীবন নির্বাহ সহজ হবে। আমরা হিসাব করেই সে নীতি নিতে যাচ্ছি।