শিরোনাম

চট্টগ্রাম, ১১ জুলাই, ২০২৬ (বাসস): বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, প্রতিবছর পাহাড়ধসে প্রাণহানির পুনরাবৃত্তি রোধে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করা হবে।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় জমি ও আবাসনের ব্যবস্থা করবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও সবার সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ সম্ভব।
আজ শনিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানার ১ নম্বর ঝিলের ওপর অবস্থিত ব্র্যাক প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত দুর্গত মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার ও শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এসময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে চট্টগ্রামে গত কয়েক দশকের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগে দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে চট্টগ্রামে পাঠিয়েছেন- ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র পর্যালোচনা করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে। আশ্রয়কেন্দ্রে যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন খাদ্য, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
এসময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আকবরশাহ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কাটা ও অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসী চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে পাহাড় কাটা কার্যক্রমও বন্ধ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ এলাকায় কোনো নতুন আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না।
অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী ও মেয়র আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত নারী, শিশু ও প্রবীণদের খোঁজখবর নেন এবং হাতে রান্না করা খাবার ও শুকনো খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।