শিরোনাম

ঢাকা, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোট ৬৮২ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।
গত ১৮ নভেম্বর শুরু হওয়া এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া সোমবার রাত ১২টায় শেষ হয়। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
ইসি’র তথ্য অনুযায়ী, মোট নিবন্ধনকারীদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ লাখ ৮১ হাজার ৪৩৪ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৫২ হাজার ২৪৬ জন।
প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৬ জন নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া মালয়েশিয়ায় ৮৪ হাজার ২৯২ জন, কাতারে ৭৬ হাজার ১৩৯ জন এবং ওমানে ৫৬ হাজার ২০৭ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন।
প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৬ জন নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া, মালয়েশিয়ায় ৮৪ হাজার ২৯২ জন, কাতারে ৭৬ হাজার ১৩৯ জন ও ওমানে ৫৬ হাজার ২০৭ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন।
দেশের ভেতরে ‘ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোট’ ক্যাটাগরিতে নিবন্ধন করেছেন ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪০ জন।
জেলাভিত্তিক নিবন্ধনে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লায় ১ লাখ ১২ হাজার ৯০ জন। এরপরই ঢাকায় ১ লাখ ৮ হাজার ৭৫৫ জন এবং চট্টগ্রামে ৯৫ হাজার ২৯৭ জন।
এদিকে, আসনভিত্তিক নিবন্ধনে ফেনী-৩ আসন ১৬ হাজার ৯৩ জন নিয়ে সবার উপরে রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ৩০১ জন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ দিনে বিশ্বের ৮১টি দেশে অবস্থানরত ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৭৬৯ জন প্রবাসীর কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৭ হাজার ৯৪৩ জন ব্যালট পাঠানো হয়েছে সৌদি আরবে অবস্থানরত ভোটারদের কাছে।
আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান আজ মঙ্গলবার বাসসকে বলেন, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হবে না। আমরা ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি।
তিনি আরও জানান, যাদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হচ্ছে, আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে তারা তা হাতে পাবেন। তবে ব্যালটের গোপনীয়তা রক্ষা করা ভোটারের দায়িত্ব। কেউ গোপনীয়তা লঙ্ঘন করলে তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লক করা হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করে দেন।
সালীম আহমাদ খান আরও জানান, প্রায় ১০ হাজার ভোটারের ঠিকানায় ত্রুটি থাকায় তাদের সঠিক ঠিকানা দিতে মেসেজ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটার ছাড়াও নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী, কর্মস্থলের কারণে নিজ এলাকার বাইরে থাকা সরকারি চাকরিজীবী এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা এই অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনের সুযোগ পেয়েছেন। গত ১৮ নভেম্বর উদ্বোধন হওয়া এই অ্যাপের মাধ্যমে বিশ্বের ১৪৮টি দেশ থেকে প্রবাসীরা তাদের সংশ্লিষ্ট দেশের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে নিবন্ধিত হতে পেরেছেন।