বাসস
  ০৮ জুলাই ২০২৬, ২১:৫৮

ভৈরবে ৫০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ

ছবি : বাসস

কিশোরগঞ্জ, ৮ জুলাই, ২০২৬, (বাসস): জেলার ভৈরব উপজেলায় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও দেশীয় মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও রিং জাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে তিনটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে মোট ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার বিকেলে ভৈরব শহরের রানী বাজার এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিসের যৌথ উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম আজিমুল হক।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাজারের বিভিন্ন জাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রায় আড়াই হাজার বস্তা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও রিং জাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫০ লাখ টাকারও বেশি।

অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে রানী বাজারের রমজান স্টোরের মালিক রমজান মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ক্রয়, বিক্রয়, গুদামজাত ও বাজারজাত করার অপরাধে ফরহাদ স্টোরের মালিক ফরহাদ মিয়াকে ১ লাখ টাকা এবং একই অপরাধে রানা স্টোরের মালিক রানা মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

পরে জব্দ করা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন, ভূমি অফিস ও পৌরসভার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক সহযোগিতা করেন ভৈরব শহর ফাঁড়ি পুলিশের সদস্যরা।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম আজিমুল হক বাসসকে বলেন, মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইনের আওতায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে দুইটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি আইন লঙ্ঘনের দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের ব্যবহার, ক্রয়-বিক্রয়, গুদামজাত ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।