শিরোনাম

ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস): শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি তাদের সার্বিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে সারা বছর খেলাধুলা, সহ-পাঠ্যক্রমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
বৃহস্পতিবার মাউশির উপ-পরিচালক (শারীরিক শিক্ষা) অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিপত্রটি দেশের সব আঞ্চলিক পরিচালক, উপ-পরিচালক (মাধ্যমিক) ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
পরিপত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা, সহ-পাঠ্যক্রমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি এসব কার্যক্রম একাডেমিক কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করে সারা বছর পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় মোট ৩৫টি কার্যক্রমের তালিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ক্রীড়া কার্যক্রম রয়েছে ১৫টি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ফুটবল, ভলিবল, দাবা, ক্রিকেট, টেবিল টেনিস, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, হ্যান্ডবল, বাস্কেটবল, হকি, গ্রামীণ ও ঐতিহ্যবাহী খেলা, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস, তায়কোয়ান্দো ও মার্শাল আর্ট।
সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের তালিকায় রয়েছে ১৩টি বিষয়। এর মধ্যে হামদ ও নাত, বাংলা ও ইংরেজি বক্তৃতা ও বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা, দেয়ালিকা তৈরি, বই পড়া, দৈনিক পত্রিকা পাঠ, সৃজনশীল লেখা, পরিবেশ সুরক্ষা, ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা, গণিত অলিম্পিয়াড এবং ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি রয়েছে।
এ ছাড়া সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের আওতায় রাখা হয়েছে সঙ্গীত, আবৃত্তি, একক অভিনয়, কুইজ, নৃত্য, গ্রাফিতি অঙ্কন, উৎসব ও ঐতিহ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান এবং চিত্রাঙ্কন।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করে সুবিধাজনক সময়ে সারা বছর এসব কার্যক্রম চালাতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বয়েজ স্কাউট, রোভার স্কাউট, গার্ল গাইডস, বিজ্ঞান ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব, স্বাস্থ্য ও শারীরিক শিক্ষা ক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ক্লাব পরিচালনায় যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাউশি বলছে, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সহ-পাঠ্যক্রমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে।
একই সঙ্গে এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, সামাজিক দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে।