বাসস
  ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৫৬

তামাকের প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আজ বিকেলে রাজধানীতে এক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি : বাসস

ঢাকা, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় ঘরে ঘরে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, সচেতনতার অভাবে বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ বেড়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে তামাক ক্যানসারের মতো প্রাণঘাতী রোগের অন্যতম কারণ হয়ে মানুষের অকালমৃত্যু ডেকে আনছে। নতুন প্রজন্মের সুরক্ষায় ঘরে ঘরে তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
 
আজ বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ঢাকা আহছানিয়া মিশন আয়োজিত ‘অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে  তিনি এসব কথা বলেন।
 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তামাকের ক্ষতিকর দিকগুলো সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে সচেতনতামূলক ছবি ও বার্তা আরো ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি।
 
তিনি বলেন, কৈশোর থেকেই তাদের তামাকের ভয়াবহতা সম্পর্কে বোঝানো গেলে তারা এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হবে এবং ভবিষ্যতে তামাক গ্রহণ থেকে নিজেদের দূরে রাখতে সক্ষম হবে।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল এফসিটিসি’র আলোকে তামাক নিয়ন্ত্রণে আরো কার্যকর, সমন্বিত ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
 
ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সহ-সভাপতি এস এম ড. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মেডিকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি, বিসিআইসি’র সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
 
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী শরিফুল ইসলাম।