শিরোনাম

ঢাকা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে আজ (বুধবার) ‘নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. মুমিত আল রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকাস্থ ইরানের রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদি সম্মানিত অতিথি এবং কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার ও ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর মাহদি মৌলায়ী আরানি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান স্বাগত বক্তব্য দেন। নবীনদের পক্ষে মো. মুশফিকুর রহমান ও আতিকা রহমান এবং বিদায়ীদের পক্ষে মুসাররাত তাইয়েবা মুসকান ও পলাশ মাহমুদ তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রভাষক তানজিনা বিনতে নূর অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন। এসময় বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সহশিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়ে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। ফারসি ভাষা ও সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং ইরানের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
ইরানের রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদি বলেন, ফারসি ভাষা ইসলামী সভ্যতা, ইতিহাস ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ বাহন। এ ভাষার মাধ্যমে প্রাচীন ইতিহাস, সাহিত্য ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা যায়। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গেও ফারসি ভাষার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ফারসি ভাষা ইরান এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন। এ ভাষা চর্চার মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে প্রথম সম্পূর্ণ ফারসি ভাষায় রচিত লিটল ম্যাগাজিন রোজনামচে-এর ‘ভ্রমণবিষয়ক সংখ্যা’ (দ্বিতীয় সংখ্যা)-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
৬১টি বিষয়ের চমকপ্রদ এই ম্যাগাজিনের অধিকাংশ লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বর্তমান শিক্ষার্থী। বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের মূল্যবান লেখার সমাহার ঘটেছে এই ম্যাগাজিনে।