শিরোনাম

রাজবাড়ী, ১৭ আগস্ট, বাসস (২০২৬) : জেলায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন উপলক্ষে ‘মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন’ বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা মৎস্য অধিদফতরের উদ্যোগে আজ সোমবার দুপুরে জেলা কার্যালয়ে জেলার মাছ ব্যবসায়ী, জেলে, মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
এ সভায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব উল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মৎস্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক পলাশ হালদার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সরদার এবং সদর উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল।
সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন, সহকারী পরিচালক পলাশ হালদার।
তিনি বলেন, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করায় দেশে ইলিশের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একসময় দেশে বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার টন ইলিশ উৎপাদিত হলেও বর্তমানে তা প্রায় ৫ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে। জাটকা নিধন বন্ধ করা গেলে ইলিশের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের অর্থনীতিতে এ খাতের অবদান বাড়বে।
তিনি বলেন, জাটকা আহরণ বন্ধ রাখার সময়ে জেলেদের জীবিকা নির্বাহে সহায়তা হিসেবে রাজবাড়ী জেলার ৩ হাজার ৮০২ জন জেলেকে জনপ্রতি ১৬০ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জাটকা সংরক্ষণ মৌসুমে অবৈধ ‘চায়না দুয়ারি’সহ নিষিদ্ধ জাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পলাশ হালদার বলেন, ইলিশের পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র সংরক্ষণে জলাশয় রক্ষা এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ বন্ধে মৎস্য অধিদফতর বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
সভায় মৎস্যচাষি ও জেলেরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি মৎস্য খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় চাষিরা নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে জানান।
সভায় মৎস্য সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে সরকারি দফতর, মৎস্যচাষি, জেলে, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।