শিরোনাম

বগুড়া, ১১ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : বগুড়া সদর ও সারিয়াকান্দি থানার দ’ুটি হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত প্রধান আসামিসহ পলাতক ৬জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
আজ মঙ্গলবার ভোরে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ এবং বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানা এলাকায় পৃথকভাবে পরিচালিত ৪টি অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ সকালে র্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার ফিরোজ আহমেদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২ বগুড়া ও র্যাব-১৩ গাইবান্ধা যৌথ অভিযান চালিয়ে গতকাল সোমবার রাত আনুমানিক ১টা ৩৫ মিনিটে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার ভগরিয়া এলাকা থেকে সদর থানার আতিকুর রহমান সাগর হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি মো. জিলহাজ মন্ডল (৪৬) ও ১৬ নম্বর আসামি মো. আরিফ প্রাংকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে। একইদিন রাত ২টা ২০ মিনিটে গোবিন্দগঞ্জের খানাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই একই মামলার আসামি মো. লিটন মিয়া (৩৫) এবং মো রব্বানীকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ৪ আসামিরই বাড়ি বগুড়া সদরের পাঁচবাড়ীয়া এলাকায়।
মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ২৩ জুলাই দুপুর ২টার দিকে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বগুড়া সদরের শাকারিয়া ইউনিয়নের চালিতাবাড়ী এলাকায় আতিকুর রহমান সাগরের ওপর হামলা চালায়। তারা আতিকুরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও শক দিয়ে গুরুতর জখম করে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। পরে স্বজনরা উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় বগুড়া সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
অন্যদিকে, পৃথক অভিযানে মঙ্গলবার রাত ১টা ৩৫ মিনিট ও ২টা ১০ মিনিটে বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থানাধীন শিমলা বাজার এবং কুন্দারহাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে সারিয়াকান্দি থানার চাঞ্চল্যকর মোসলেম উদ্দিন হত্যা মামলার পলাতক আসামি মো. রহিদুল সরকার (৪৭) ও মো. শাহজাহান সরকারকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়। এরা দ’ুজনই সারিয়াকান্দির পাকুড়িয়া চরের বাসিন্দা। গত ৪ আগস্ট সারিয়াকান্দি থানায় দায়েরকৃত হত্যা মামলার আসামি তারা ২জনই।
র্যাব-১২ জানিয়েছে, আটকদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বগুড়া সদর ও সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাবের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।