শিরোনাম

ঢাকা, ৫ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে আজ সারা দেশে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত হয়েছে।
দিনটি উপলক্ষে সরকার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
এসব কর্মসূচির মাধ্যমে স্বৈরশাসন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে আত্মত্যাগকারী ছাত্র-জনতাসহ সকল শহীদকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে।
দিবসটির কর্মসূচির মধ্যে ছিল- শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে স্মারক কর্মসূচি।
আজ সকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে জুলাই শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও ছাত্র-জনতা।
এ উপলক্ষে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ এবং আকাক্সক্ষার আলোকে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, বৈষম্যহীন এবং সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলব। একইসঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্বপ্ন, আদর্শ ও আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করব।’
বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে দীর্ঘদিনের বৈষম্যমূলক ও স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে এবং তীব্র গণরোষের মুখে সরকার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে তিনি জুলাই যোদ্ধা এবং দেশের সকল দেশপ্রেমিক নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ইয়ামিন, ফারহান, নাফিজ, তাইম, নাঈমা, শিশু রিয়া গোপ, আহাদসহ আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী হাজারো শহীদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
আন্দোলনে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিও তিনি গভীর শ্রদ্ধা ও আন্তরিক সমবেদনা জানান।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে বলেন, ‘স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষের জন্য ৫ আগস্ট আনন্দের দিন, বিজয়ের দিন এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার পুনরুদ্ধারের দিন। ঠিক দুই বছর আগে এই দিনে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেড় দশকেরও বেশি সময়ের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে।’
তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মুখে সরকার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয় এবং বাংলাদেশ স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্তি লাভ করে। ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত এই দিনটি এখন জাতীয়ভাবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ভোটাধিকার আদায়ের আন্দোলনে বিএনপি, অন্যান্য গণতন্ত্রপন্থী রাজনৈতিক দল এবং ভিন্নমতের মানুষ সীমাহীন নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হন।
তিনি বলেন, অসংখ্য মানুষ গুম, হত্যা, অপহরণ, হামলা, মিথ্যা মামলা, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেও মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর কারাবন্দি থাকতে হয়।
তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রকামী মানুষের কণ্ঠরোধ করতে দেশে শত শত গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেখানে অসংখ্য মানুষকে মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর অন্ধকার কক্ষে আটকে রাখা হয়। অনেকেই চিরতরে নিখোঁজ হয়ে যান। সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলী এবং কমিশনার চৌধুরী আলমসহ অনেকের এখনো কোনো খোঁজ মেলেনি।
তিনি বলেন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছিল।
সংবিধানকে উপেক্ষা করে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয় এবং নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হয়। রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধ্বংসের মুখে পড়ে এবং দেশকে একটি পরনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, রিকশাচালক, দিনমজুর, পোশাকশ্রমিক, হোটেল-রেস্তোরাঁ কর্মী, পরিবহন শ্রমিক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী, গৃহিণী, নারী, শিশু—সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসেছিলেন।
তিনি বলেন, আন্দোলন দমনে সরকার গণতন্ত্রকামী মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। হেলিকপ্টার থেকেও গুলি করা হয়। মায়ের কোলে থাকা শিশুরাও সেই গুলির হাত থেকে রক্ষা পায়নি।
রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ, চট্টগ্রামের শহীদ ওয়াসিম আকরাম, ঢাকার শহীদ মুগ্ধসহ অসংখ্য সাহসী তরুণের আত্মত্যাগ গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষ শহীদ হন এবং অন্তত ৩০ হাজার মানুষ আহত হন।
শত শত মানুষ অঙ্গহানি ও স্থায়ী পঙ্গুত্বের শিকার হন, অনেকেই চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। ৫ আগস্ট গণভবন থেকে সরকার পালিয়ে যায়, সংসদ সদস্যরা জাতীয় সংসদ ত্যাগ করেন, প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্ট ছাড়েন, বায়তুল মোকাররমের খতিব, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সরকারের সহযোগীরাও পালিয়ে যান বা আত্মগোপনে চলে যান।
তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের ঘটনাপ্রবাহ শুধু দেশের নয়, বিশ্ব ইতিহাসেও এক নজিরবিহীন ঘটনা।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও স্বৈরাচারবিরোধী প্রতিটি আন্দোলনে লাখো মানুষ আত্মত্যাগ করেছেন।
দিবসটি উপলক্ষে দেশের সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র, নিবন্ধ, সাহিত্য সাময়িকী ও বিশেষ প্রকাশনা প্রকাশ করেছে।
আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর উদ্বোধন করেন। এ সময় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ।’
ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণ এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র দায়িত্ব।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের এই সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো জুলাইতে যারা আত্মাহুতি দিয়েছে সেসব পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণ করা। এটাই সবচেয়ে পবিত্র দায়িত্ব। যারা আহত হয়েছে, চোখের দৃষ্টি হারিয়েছে, অঙ্গ হারিয়েছে, তাদেরকে সুস্থ করে তোলা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।’
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, আজ মহান জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা এক অবিস্মরণীয় দিন। এটি গণতন্ত্র, ন্যায় ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার বিজয়ের দিন। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার সুতীব্র গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। ফ্যাসিবাদী সরকার পালাতে বাধ্য হয়। দেশ মুক্ত হয়, সূচিত হয় নতুন প্রভাত।
আজ জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) আয়োজনে এক সমাবেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার, আহতদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।
রাজধানীর গুলশানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গত ১৭ বছরের আন্দোলনের চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, এফএম ও কমিউনিটি রেডিওসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করছে।
দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আলোচনা সভা, রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোও দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
দিবসটি উপলক্ষে দেশব্যাপী ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও ট্রাফিক আইল্যান্ড জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও বর্ণিল পতাকায় সজ্জিত করা হয়। জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলো আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে এবং দিবসটি উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়।
সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘরগুলো আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য বিনামূল্যে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের জন্য বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে-কেয়ার ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং গৃহহীনদের আশ্রয়কেন্দ্রে বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়।