শিরোনাম

খুলনা, ১৬ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-কেডিএ চেয়ারম্যান এ্যাড. এসএম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, খুলনা অঞ্চল বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। ভৌগোলিক গুরুত্ব, সহজ ও সস্তা শ্রমশক্তি, মোংলা বন্দরের সুবিধা, পদ্মা সেতু ও রূপসা রেল সেতুর সংযোগ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিবেচনায় খুলনা অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের বিনোদন কেন্দ্র, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, হোটেল এবং আইটি পার্ক স্থাপনে যৌথ অংশীদারিত্বের গড়ে তোলার এখনি সময়।
মোংলা বন্দর ও প্রস্তাবিত রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থান এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে খুলনাকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক হাব হতে পারে।
এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ¦ রকিবুল ইসলাম বকুল খুলনা অঞ্চলের জন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পাঠাচ্ছেন। বিনিয়োগবান্ধব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশ স্বনির্ভর হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রূপসা উপজেলা ও বাগেরহাটের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন শেষে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তাদের সাথে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ¦ রকিবুল ইসলাম বকুল চায়না ও মালেশিয়ার দু’টি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের খুলনা ও বাগেরহাটে ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পরিদর্শনে পাঠিয়েছেন। গত দু’দিন তারা এ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।
কেডিএ’র বিভিন্ন আবাসন, বাণিজ্যিক ও পর্যটন প্রকল্পে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানিয়ে তাদের জন্য সব ধরণের প্রশাসনিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কেডিএ চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা আরও বলেন, আধুনিক খুলনা গড়তে কেডিএ যে স্মার্ট সিটি বা স্যাটেলাইট টাউন পরিকল্পনা করছে, সেখানে আন্তর্জাতিক মানের বিনোদন কেন্দ্র, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, হোটেল এবং আইটি পার্ক স্থাপনে যৌথ অংশীদারিত্বের গড়ে তোলার এখনি সময়। বিদেশী বিনিয়োগকারীদের লাইসেন্স, অনুমোদন ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া সহজ করতে বিএনপি সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।
এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. সাবিরুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মজিবুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক জুলফিকার আলী বাবু ও পটুয়াখালী গলাচিপা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আলতাব খানসহ কেডিএ’র উর্দ্ধতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ।