বাসস
  ১৫ জুলাই ২০২৬, ২০:৪৬
আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২৬, ২০:৫১

বিশ্বব্যাপী এসডিজি ত্বরান্বিত করতে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও অর্থায়নের আহ্বান জানালেন সাকি

ছবি : পিআইডি

ঢাকা, ১৫ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে শক্তিশালী সহযোগিতা অপরিহার্য হওয়ার প্রেক্ষিতে অনুদান, সহজ শর্তে অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক উচ্চ-পর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরাম (এইচএলপিএফ) ২০২৬-এর সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের জাতীয় বিবৃতি প্রদানকালে প্রতিমন্ত্রী সংস্কার, বিনিয়োগ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ এজেন্ডা অর্জনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

আজ বুধবার এখানে প্রাপ্ত এক বার্তা অনুযায়ী, সাকি এসডিজি বাস্তবায়নের ব্যবধান পূরণে সহায়তার জন্য বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বর্ধিত অনুদান, সহজ শর্তে অর্থায়ন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সমর্থন বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, সরকারি প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ তার পুনরুদ্ধার, পুনর্গঠন ও পুনর্র্নিমাণ (৩আর) কৌশল বাস্তবায়ন করছে।

সরকারের প্রধান উন্নয়ন অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ উলে¬খযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে এবং পানি ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু সহনশীলতা ও কৃষি উৎপাদনশীলতা উন্নত করতে ২০,০০০ কিলোমিটার নদী ও খাল খননের একটি উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, সরকার ২৫ কোটি চারাগাছ রোপণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সবুজ শিল্পের সম্প্রসারণ, একটি জাতীয় কার্বন বাজার প্রতিষ্ঠা, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ শক্তিশালীকরণ এবং একটি সার্বজনীন জীবনচক্র-ভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালুর উদ্যোগও গ্রহণ করেছে।

গ্রামীণ উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে সাকি বলেন, সরকার গ্রামীণ জীবনযাত্রা শক্তিশালী করার পাশাপাশি কৃষকদের সেবা প্রাপ্তির সুযোগ উন্নত করতে, খাদ্য নিরাপত্তা বাড়াতে এবং কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে ‘কৃষক কার্ড’ চালু করেছে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সরকার এসডিজি অর্জনের জন্য ব্যাপক সংস্কার ও কৌশলগত বিনিয়োগ চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন যে, ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য জোরদার আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য। তিনি সহযোগিতা আরও জোরদার করতে এবং উন্নয়নশীল বিশ্বজুড়ে টেকসই উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।