বাসস
  ০৯ জুলাই ২০২৬, ১৭:১৫
আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২৬, ১৭:১৯

বিমানের বহরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এয়ারবাস : ফরাসি রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে বুধবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি : ফরাসি দূতাবাস

ঢাকা, ৯ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে বলেছেন, এয়ারবাসের সাথে সহযোগিতা জোরদারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। ইউরোপীয় এই উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে অবদান রাখবে।

গতকাল বুধবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। 

আজ বৃহস্পতিবার ফরাসি দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,  বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
 
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের বিমান চলাচল শিল্পকে অধিকতর শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, এয়ারবাসের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে, দেশের সামগ্রিক বিমান চলাচল ব্যবস্থার উন্নয়নে অবদান রাখবে ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটাবে।

এ সময় বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের আধুনিকায়নে ফ্রান্সের অব্যাহত সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)’র সঙ্গে ফরাসি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থ্যালেসের সফল সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে বলেন, বাংলাদেশের বিমান চলাচল অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে সহায়তা অব্যাহত রাখতে ফ্রান্স প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিমান চলাচল খাতে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে, একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা জোরদারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং এ খাতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন সুযোগ পর্যালোচনা করেন।