শিরোনাম

ঢাকা, ১৯ মে, ২০২৬ (বাসস) : শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক প্রবর্তিত ‘প্রত্যেকে একজনকে শিক্ষিত করুন’ (ইচ ওয়ান, টিচ ওয়ান) নীতিই মূলত বাংলাদেশের সাক্ষরতার ক্ষেত্রে আজকের এই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির সুদৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চলমান ‘এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬’-এর সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত ‘টিচার্স কন্টিনিউয়াস প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
আজ লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এছাড়া ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইংলিশ অ্যান্ড স্কুল এডুকেশনের পরিচালক মাইকেল কনোলি এবং পাকিস্তানের পাঞ্জাব, খাইবার পাখতুনখোয়া ও সিন্ধুসহ বিভিন্ন প্রদেশের শিক্ষামন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে আলোচনার এক পর্যায়ে পাকিস্তানের মন্ত্রীরা জানতে চান-পাকিস্তানের মতোই প্রায় একই অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ কীভাবে সাক্ষরতার হারে এই অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করতে পেরেছে। এর জবাবে বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী মিলন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক গণশিক্ষা কর্মসূচির সফল দূরদর্শিতা ও বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরেন।
গোলটেবিল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বাংলাদেশে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে বর্তমান সরকারের দূরদর্শী পরিকল্পনার কথা বিস্তারিত তুলে ধরেন।
বিশেষ করে শিক্ষকদের আধুনিক ও প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ করে গড়ে তুলতে সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ (একজন শিক্ষক, একটি ট্যাব) কর্মসূচির কথা গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন তিনি।
এই আন্তর্জাতিক গোলটেবিল বৈঠকটি উচ্চপর্যায়ের অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন ও গুণগত মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ে একটি উন্মুক্ত ও গঠনমূলক প্ল্যাটর্ফম হিসেবে কাজ করেছে।
বৈঠকে দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষাক্ষেত্রের সাধারণ চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করার পাশাপাশি, ভবিষ্যৎ শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং এ সংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।