শিরোনাম

চট্টগ্রাম, ২১ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় প্রথম দিনে চট্টগ্রাম বোর্ডে ১ হাজার ৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আবশ্যিক বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্রে জানা যায়, বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় মোট ১,০০৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। ১২১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নিবন্ধিত ১ লাখ ৬ হাজার ৮৭২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৫ হাজার ৮৬৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ২১৮টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় প্রথম দিনে কোনো পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বন বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়নি।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার মোট ১২৬টি পরীক্ষা কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া কক্সবাজারে ৩২টি, রাঙ্গামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ২৪টি এবং বান্দরবানে ১৫টি পরীক্ষা কেন্দ্র সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। সকাল থেকে পরীক্ষার্থীদের চোখে-মুখে উত্তেজনার পাশাপাশি কিছুটা উদ্বেগ দেখা গেলেও অধিকাংশ কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করতে দেখা যায়। অনেক কেন্দ্রে অভিভাবকদের ভিড় সামলাতে পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের হিমশিম খেতে হয়।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমাণ অভিভাবকদের পানি ও শুকনো খাবার বিতরণ করেছেন। এছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্রেও বিশুদ্ধ পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব রোধে এবার বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সজ্জাদ চৌধুরী বাসসকে জানান, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই প্রথম দিনের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে ১০টি বিশেষ টিমসহ মোট ৭৬টি সাধারণ ভিজিল্যান্স টিম মোতায়েন করা হয়। এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এবারের পরীক্ষার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে চলমান তাপপ্রবাহ। পরীক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি মাথায় রেখে প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত খাবার পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট এড়াতে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগকে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছিল, যার ফলে অধিকাংশ কেন্দ্রে পরীক্ষা চলাকালীন লোডশেডিংয়ের সমস্যা দেখা দেয়নি।