বাসস
  ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:০৬

কৃষি মন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আজ সচিবালয়ে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি)-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. হুমনাথ বান্দারি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি : মন্ত্রণালয়

ঢাকা, ২১ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি)-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. হুমনাথ বান্দারি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

আজ সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে তারা সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত অভিযোজন ও ধান বিষয়ক গবেষণাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলেচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য। দেশের প্রায় সকল মানুষের প্রধান খাদ্য হওয়ায় ধানের চাহিদা বছরব্যাপী থাকে। দেশের আবহাওয়া ও জমির ধরন ধান চাষের জন্য উপযোগী।  ইরির সহযোগিতায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উচ্চ ফলনশীল, খরা, বন্যা, শীত সহিষ্ণু ও বিভিন্ন পুষ্টিমান সম্পন্ন ধানের জাত উদ্ভাবন করছে। যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির জোগানে ভূমিকা রাখছে।

মন্ত্রী অধিক পুষ্টিমান, কম জিআই (গ্লাইসেমিক ইনডেক্স) সম্পন্ন ধান চাষ নিয়ে বাংলাদেশের সাথে কাজ করার জন্য ইরিকে আহ্বান জানান।

উচ্চ ফলনশীল, বন্যা, খরা সহিষ্ণু ও স্বল্পসময়ে চাষ উপযোগী ধানের জাত উদ্ভাবনের জন্য ইরির সাথে যৌথভাবে গবেষণার জন্য বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানান এবং এ বিষয়ে কাজ করতে ইরিকে আহ্বান জানান।

ইরির প্রতিনিধি বলেন, তার সংস্থা বাংলাদেশের ধান উৎপাদন, গবেষণা ও নতুন জাত উদ্ভাবনে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। খাদ্য নিরাপত্তা,  পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্য,  জলাবায়ু অভিযোজন,  কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন, কৃষি খাতে টেকসই উন্নয়ন নিয়ে ইরি কাজ করতে আগ্রহী বলেও প্রতিনিধি জানান। 

ইরি উদ্ভাবিত অধিক পুষ্টিমান ও কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স  সম্পন্ন ধানের প্রকরণ বাংলাদেশেও চাষে সহযোগিতার কথা বলেন তিনি। কৃষি মন্ত্রী এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।