শিরোনাম

ঢাকা, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
আজ রোববার প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের কড়াইল বস্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে হাম-রুবেলার টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
হামের প্রাদুর্ভাব রোধে রাজনীতিবিদদের ঘরে ঘরে গিয়ে টিকার তথ্য জানানোর আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, ‘জরুরি ক্যাম্পেইন সফল করতে হলে, সর্বস্তরের সবাইকে নিয়ে যে যার এলাকায় সাংগঠনিক শক্তি নিয়ে এই ক্যাম্পেইন সফল করুন। এই ক্যাম্পেইন রাজনীতিবিদদের জন্য সুযোগ। আপনারা ঘরে ঘরে গিয়ে টিকাদান কর্মসূচি সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দিন।’
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তাঁর এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, আমরা মানুষের জন্য কাজ করছি। বারবার মানুষের কাছে যাওয়ার মাধ্যমে আমাদের কাজের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। এই টিকাদান কার্যক্রম আমাদের জন্য জনগণের আরও কাছাকাছি যাওয়ার একটি বড় সুযোগ।
হামের উচ্চ সংক্রমণ ক্ষমতার কথা উল্লেখ করে ড. এম এ মুহিত জানান, সংক্রমণের খবর পাওয়ার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় সরকার এই বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করতে সক্ষম হয়েছে।
যেখানে প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা গেছে, সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্বাস্থ্যকর্মীরা পৌঁছে গেছেন।
আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে হাম প্রতিরোধের বৃহৎ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাম যেমন দ্রুত ছড়ায়, টিকার মাধ্যমে তেমনি একে দ্রুত নির্মূল করা সম্ভব।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা যদি অধিকাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনতে পারি, তবে এই প্রাদুর্ভাব এখনই থামানো সম্ভব হবে।
দেশের সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে এম এ মুহিত বলেন, শুধু নিজের বাচ্চা টিকা নিলো কি না, তাতেই হাম প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। গোষ্ঠীর সবার মধ্যে রোগ প্রতিরোধ তৈরি করা গেলেই তা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
১০০ জনে অন্তত ৯৫ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনতে হবে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুস সাত্তার পাটোয়ারি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।