শিরোনাম

বিপুল আশরাফ
চুয়াডাঙ্গা, ৮ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : জেলায় আজ ১৩টি পেট্রোল পাম্প ও ৮টি এজেন্ট পয়েন্টে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬০৫ লিটার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে| আজ সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন থেকে এই তথ্য বাসস’কে জানানো হয়েছে|
আজ সকাল ৭টা থেকে বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও কৃষকদের মাঝে এসব তেল সরকারি মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে| তবে কয়েক দিনের তুলনায় পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেল চালকদের তেল নিতে যে দীর্ঘ লাইন ছিল, গত সোমবার থেকে কিছুটা হলেও কম দেখা যাচ্ছে|
চুয়াডাঙ্গা জেলার ৪ উপজেলায় ২২টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে| এরমধ্যে ১৩টি ফিলিং স্টেশনে আজ সকাল থেকে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ করা হচ্ছে| এর বাইরে ৮টি ডিলার পয়েন্টে ডিজেল তেল দেয়া হচ্ছে| মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন যানবাহন চালকদের তেল নিতে ফুয়েল কার্ড ও কৃষকদের কৃষি কার্ড দেখাতে হচ্ছে| কার্ড ছাড়া কাউকে তেল দেয়া হচ্ছে না| বেশ কয়েকদিন ধরে প্রশাসনের নানামুখী উদ্যোগের ফলে তেল ক্রয়ে কিছুটা হলেও শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে|
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, চুয়াডাঙ্গা জেলার ৪ উপজেলায় আজ ১৩টি ফিলিং স্টেশন ও ৮টি ডিলার পয়েন্টের মাধ্যমে পেট্রোল ৩৩ হাজার লিটার, অকটেন সাড়ে ৮ হাজার লিটার ও ডিজেল বিক্রি করা হবে ১ লাখ ২৭ হাজার ১০৫ লিটার| এরমধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদরে মোজাম্মেল হক ফিলিং ষ্টেশনে ডিজেল সাড়ে ৪ হাজার লিটার, অকটেন ২ হাজার লিটার, পেট্রোল ৩ হাজার লিটার, হাইওয়ে ফিলিং ষ্টেশনে ডিজেল সাড়ে ৪ হাজার লিটার, পেট্রোল ৩ হাজার লিটার, জোয়ার্দ্দার পেট্রোলিয়ামে ডিজেল সাড়ে ৪ হাজার লিটার, অকটেন ২ হাজার লিটার, পেট্রোল ৩ হাজার লিটার, সুগন্ধা ফিলিং স্টেশনে ডিজেল ৬ হাজার লিটার, পেট্রোল ৩ হাজার লিটার, মামুন ফিলিং স্টেশনে ডিজেল ৯ হাজার লিটার, মনিরুল ফিলিং স্টেশনে ডিজেল ৯ হাজার লিটার, চুয়াডাঙ্গা ফিলিং স্টেশনে ডিজেল ৬ হাজার লিটার, অকটেন আড়াই হাজার ২লিটার|
জীবননগর উপজেলায় নাসিম ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল সাড়ে ৪ হাজার লিটার, ডিজেল ৬ হাজার লিটার, অঙ্কন ফিলিং স্টেশনে ডিজেল ৪ হাজার লিটার, পেট্রোল সাড়ে ৪ হাজার লিটার, জীবননগর ফিলিং স্টেশনে ডিজেল ৯ হাজার লিটার, পেট্রোল ৩ হাজার লিটার|
দামুড়হুদা উপজেলায় এম এম ফিলিং স্টেশনে ডিজেল সাড়ে ৪ হাজার লিটার, পেট্রোল সাড়ে ৪ হাজার লিটার| আলমডাঙ্গা উপজেলায় এনামুল হক ফিলিং স্টেশনে ডিজেল ৯ হাজার লিটার, অকটেন ২ হাজার লিটার, উত্তরা ফিলিং স্টেশনে ডিজেল সাড়ে ৪ হাজার লিটার, পেট্রোল ৪ হাজার লিটার|
এছাড়াও এজেন্ট পয়েন্টে সোহেল ট্রেডার্স ডিজেল ৩ হাজার লিটার, মানিক এন্ড ব্রাদার্স ডিজেল ৬ হাজার লিটার, জোয়ার্দ্দার ট্রেডার্স ডিজেল ৬ হাজার লিটার, সাইফ ফুয়েল ডিজেল ৯ হাজার লিটার, হাসান অটোমোবাইল ডিজেল ৫ হাজার ৮০৫ লিটার, ওয়াহেদ ট্রেডার্স ডিজেল ৬ হাজার ৩শ’ লিটার, মেসার্স ইব্রাহীম ট্রেডার্স আলমডাঙ্গা, ডিজেল সাড়ে ৪ হাজার লিটার, মেসার্স আর এস ইন্টারন্যাশনাল আলমডাঙ্গা, ডিজেল ৬ হাজার লিটার|
জেলা প্রশাসন থেকে আরো জানানো হয়েছে ফুয়েল কার্ড দিয়ে ফিলিং স্টেশন হতে পেট্রোল বা অকটেন নেয়া যাবে| ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যয়ন পত্র সাপেক্ষে ফিলিং স্টেশন অথবা এজেন্ট পয়েন্ট হতে ডিজেল সংগ্রহ করা যাবে| আতঙ্কিত না হয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়ম মেনে জ্বালানি সংগ্রহ করা এবং পরিমিত তেল ব্যবহার করার আহবান জানান|
এদিকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল মজুদ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে|
চুয়াডাঙ্গা মোজাম্মেল হক ফিলিং ষ্টেশনে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক তারিকুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, সকাল সাড়ে ছয়টার সময় লাইনে দাঁড়িয়েছি | এখন দুপুর ১২টা, আরো এক ঘন্টা লাগবে তেল পেতে|