শিরোনাম

ঢাকা, ২৫ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। তিনি পাহাড় ও সমতলের সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও একটি দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।
আজ বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী’ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি এ কথা বলেন।
পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে কিছুটা ভিন্ন ও স্পর্শকাতর। আগামী ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উৎসব নিয়ে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, পাহাড়ে বৈচিত্র্যময় উৎসবের নাম হিসেবে কেবল 'বৈসাবি' (বৈসু-সাংগ্রাই-বিজু) ব্যবহার না করে, এবার থেকে বিজু-সাংগ্রাই-বৈষু-বিষু-চাংক্রান-সাংক্রান-সাংগ্রাইং-সহ সকল সম্প্রদায়ের নিজস্ব আত্মপরিচয় ও উৎসবের নাম ফুটিয়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি সম্প্রদায়ের উৎসবকে আলাদাভাবে ও নিজস্ব সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে।
সভায় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রামের বেকারত্ব দূরীকরণ, সরকারি নিয়োগ কার্যক্রম গতিশীল করা ও শূন্যপদগুলো যথাযথভাবে পূরণের বিষয়ে জোর দেন।
তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী তার বক্তব্যে আজকের এই দিনে ঐতিহাসিক ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবসের স্মরণ করেন। তিনি বলেন, আজ ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পরিকল্পিত গণহত্যায় নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। আমি সেই শোকাবহ দিবসটি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় অংশগ্রহণ করেন।