বাসস
  ১৯ মার্চ ২০২৬, ১৪:০১

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে থাকার আহ্বান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর

ছবি: বাসস

রাঙ্গামাটি, ১৯ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, শুধু সরকারের উপর নির্ভরশীল না থেকে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদেরও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে এগিয়ে আসতে হবে। 

তিনি বলেন, সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি মানবিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় রাঙ্গামাটি জেলা শিশু একাডেমী মিলনায়তনে অর্গানাইজেশন ফর ইউনিটি ট্রাস্ট অ্যান্ড হেল্প (ইয়ুথ) আয়োজিত ঈদ উপহার বিতরণ ও মেহেদী উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মানুষের সেবা করার মানসিকতা থেকেই রাজনীতির চর্চা হওয়া উচিত। জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে ‘ইয়ুথ’ সংগঠনটি, যা প্রশংসার দাবিদার। ভবিষ্যতেও এই সংগঠনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

ইয়ুথের সাধারণ সম্পাদক রুপম তঞ্চঙ্গ্যার সভাপতিত্বে এবং পরিচালক ইকবাল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল একরামুল রাহাত, জেলা বিএনপি নেতা শ্বাসত চাকমা রিংকু, রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম শাকিল, জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে সামাজিক সংগঠনগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

পার্বত্য মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইয়ুথ’ তার নিজের প্রতিষ্ঠিত একটি সংগঠন এবং এটি দীর্ঘদিন ধরে মানবকল্যাণমূলক কাজ করে আসছে। সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ভবিষ্যতে ট্রাস্ট গঠনে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে বলেও তিনি জানান।

তিনি আসন্ন ঈদুল ফিতরসহ সকল ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবকে সম্প্রীতি ও আনন্দের মাধ্যমে উদযাপনের আহ্বান জানান এবং বলেন, এ ধরনের উৎসব সমাজে ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে।

অনুষ্ঠানের শেষে জেলার শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি শিশুদের হাতে মেহেদী দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়, যা তাদের মধ্যে ঈদের আনন্দকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।