বাসস
  ১৬ মার্চ ২০২৬, ১৭:০০

নীলফামারীতে খাদ্য ব্যবস্থাপনায় পুষ্টি সম্প্রসারণ বিষয়ক সেমিনার

ছবি : বাসস

নীলফামারী, ১৬ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : জেলায় খাদ্য ব্যবস্থাপনায় পুষ্টি সম্প্রসারণ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ সোমবার দুপুরে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কক্ষে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

নাফ বাংলাদেশ আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনজুর রহমান। সেমিনার পরিচালনা করেন হারভেস্ট প্লাস সলুশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. শাহিনুল কবির। 

জিংক সমৃদ্ধ চালের গুণাগুণ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট রংপুরের পিএসও মো. রকিবুল হাসান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন আব্দুর রাজ্জাক, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রাশেদুল হক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুণ কুমার মন্ডল, সদর উপজেলার লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের উদ্যোক্তা সুলতানা বেগম প্রমুখ।

আয়োজকরা জানান, পুষ্টির ঝুঁকিতে থাকা নারী, কিশোরী ও পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের পুষ্টিকর বায়োফর্টিফাইড খাবার গ্রহণ বাড়াতে এই প্রকল্পে নারী, কৃষক এবং এসএমইদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। 

পুষ্টির অভাব পূরণে জিংক সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে কানাডা সরকারের অর্থায়নে রংপুর বিভাগের দিনাজপুর, নীলফামারী, রংপুর ও লালমনিরহাট জেলায় বাস্তবায়ন করছে হারভেস্টপ্লাস। চার বছরের প্রকল্পটি শেষ হবে ২০২৭ সালে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মনজুর রহমান বলেন, পাঁচ লাখ পরিবারকে এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হয়েছে। জিংকের ব্যবহারে শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধি ও মেধার বিকাশ ঘটে, ক্ষুধা মন্দা দূর হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এ জন্য জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ১০২ এর চাষাবাদ বাড়াতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
সরকারি বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, কৃষি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও উদ্যোক্তা সেমিনারে অংশ নেন।