শিরোনাম

ঢাকা, ১৪ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন নৌযাত্রা নিশ্চিতে এ বছর বছিলা ব্রিজ সংলগ্ন লঞ্চঘাট (ব্রিজের নিচে) এবং পূর্বাচল কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস চালুর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ঢাকা নদী বন্দর (সদরঘাটে) অতিরিক্ত যাত্রী চাপ কমানো এবং যাত্রীদের বিকল্প নৌপথে সহজ যাতায়াতের সুবিধার্থে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
আজ (শনিবার) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, আগামী ১৭ মার্চ হতে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বছিলা লঞ্চঘাট থেকে ৬টি এবং শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে ৩টি লঞ্চ বিশেষ সার্ভিসের মাধ্যমে বিভিন্ন নৌপথে যাত্রী পরিবহন করবে।
ঈদের আগে বছিলা লঞ্চঘাট (ব্রিজ সংলগ্ন/ব্রিজের নিচে) থেকে লঞ্চ চলাচলের সময়সূচি:
সকাল ৭টায় বছিলা-সদরঘাট-হাকিমুদ্দিন রুটে এমভি টিপু লঞ্চ ছেড়ে যাবে।
এছাড়া সকাল সাড়ে ৮টায় বছিলা-সদরঘাট-শরীয়তপুর রুটে এমভি ইমাম হাসান-৫ লঞ্চ।
বেলা ১১টায় বছিলা-সদরঘাট- চাঁদপুর রুটে এমভি ঈগল-৪ লঞ্চ। বেলা ১২টায় বছিলা-সদরঘাট-ইলিশা রুটে এমভি টিপু-৬ লঞ্চ।
দুপুর দেড়টায় বছিলা-সদরঘাট-গলাচিপা রুটে এমভি বোগদাদীয়া-১২ লঞ্চ এবং এমভি শরিয়তপুর-৩ লঞ্চ ছেড়ে যাবে।
বিকেল সাড়ে ৫টায় বছিলা-সদরঘাট-ইলিশা রুটে এমভি ইয়াদ-১ লঞ্চ ছেড়ে যাবে।
শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট (পূর্বাচল কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন) থেকে লঞ্চ চলাচলের সময়সূচি:
সকাল ৮টায় শিমুলিয়া-চাঁদপুর রুটে এমভি সমতা এন্ড সমৃদ্ধি এক্সপ্রেস লঞ্চ ছেড়ে যাবে। এছাড়া শিমুলিয়া-চাঁদপুর রুটে সকাল ৯টায় এমভি সমতা সমৃদ্ধি-১ লঞ্চ ছেড়ে যাবে।
অপরদিকে সকাল ৮টায় শিমুলিয়া-বরিশাল রুটে এবং বরিশাল-শিমুলিয়া রুটে সন্ধ্যা ৭টায় এমভি রাজারহাট বি লঞ্চ ছেড়ে যাবে।
পাশাপাশি ঈদযাত্রায় যাত্রীসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা নদী বন্দর (সদরঘাট) এলাকায় প্রবীণ ও নারী যাত্রীদের ব্যবহার্য মালামাল/ব্যাগ (ব্যবসায়িক পণ্য ব্যতীত) বহনের জন্য আগামী ১৭ মার্চ হতে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১২ দিন টার্মিনাল থেকে লঞ্চ পর্যন্ত বিনামূল্যে কুলি বা পোর্টার সেবা দেবে।
একই সময় অসুস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য ঢাকা নদীবন্দর (সদরঘাট) ও বরিশাল নদীবন্দরে হুইল চেয়ার সেবাও প্রদান করা হবে বলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছে যে, এসব উদ্যোগের ফলে এবারের ঈদযাত্রা আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।