বাসস
  ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩:২৫

রফতানি খাতকে বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার : বাণিজ্য উপদেষ্টা

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারের মাল্টি ফাংশনাল কনভেনশন হলে ‘রোল অব কমপিটিটিভনেস ফর জব প্রজেক্ট অন এক্সপোর্ট ডাইভারসিফিকেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। ছবি: পিআইডি

ঢাকা, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, বাংলাদেশের রফতানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরো বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার।

তিনি বলেন, এজন্য পণ্য বৈচিত্র্যকরণে আমাদের পলিসি সাপোর্ট দরকার, উদ্যোক্তা দরকার। সে উদ্যোক্তাদের হতে হবে কঠোর পরিশ্রমী। একই সাথে তাদের লক্ষ্য অর্জনে উপযোগী জ্ঞান অর্জন করে সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

আজ পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারের মাল্টি ফাংশনাল কনভেনশন হলে ‘রোল অব কমপিটিটিভনেস ফর জব প্রজেক্ট অন এক্সপোর্ট ডাইভারসিফিকেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ১৬ বছর আমরা কাটিয়েছি একটি পরিপূর্ণ ইউটোপিয়ান ওয়ার্ল্ডে। এটা করে ফেলবো, ওটা করে ফেলবো, যা সম্পূর্ণ ব্যয়ভিত্তিক পরিকল্পনা। আর এখন আমরা বিভিন্ন পলিসি গ্রহণ করছি। এখন বিশ্বে জিওপলিটিক্যাল ফ্যাকচারের সাপলুডু খেলা চলছে। এ সাপলুডু খেলার মধ্যে নিজেদের অবস্থানকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসি৪জে) (৩য় সংশোধিত)’ প্রকল্পটি রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণসহ বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়নাধীন। প্রকল্পটির আওতায় তৈরি পোশাক শিল্পের বাইরে সম্ভাবনাময় চারটি খাত যথা, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, হালকা প্রকৌশল এবং প্লাস্টিক খাতের পণ্য রপ্তানির বাজারে প্রবেশের প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূরীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।