শিরোনাম

রাজশাহী, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক শ্রেণিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১ টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।
ভর্তি পরীক্ষায় ১৪ টি বিভাগের ১ হাজার ২৩৫টি আসনের বিপরীতে ১৮ হাজার ২৭৭ জন ভর্তিচ্ছু অংশ নেবেন। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে রুয়েটের পাশাপাশি এবারই প্রথম বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) কেন্দ্রেও পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর, কেন্দ্র ও আসন বন্টন তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। যা পরীক্ষার্থীরা এরই মধ্যে সংগ্রহ করেছেন।
প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম জানান, ভর্তিচ্ছু ১৮ হাজার ২৭৭ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে রুয়েট কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসবেন ৮ হাজার ৪৭৭ জন। বাকি ৯ হাজার ৮০০ জন পরীক্ষার্থী বুয়েট কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেন। এবারের পরীক্ষায় দু’টি গ্রুপের (ক ও খ) অধীনে ১৪ টি বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ক-গ্রুপে রুয়েট কেন্দ্রে ৮ হাজার ৪৭৭ জন পরীক্ষার্থী ও বুয়েট কেন্দ্রে ৯ হাজার ৮০০ জন পরীক্ষার্থী একযোগে ২২ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষায় বসবে। একই দিনে (২২ জানুয়ারি) রুয়েটে দুপুর সোয়া ১২ টা থেকে সোয়া ১ টা পর্যন্ত খ-গ্রুপের ৬৭০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিবেন।
তিনি আরও জানান, পরীক্ষায় অংশ নিতে পরীক্ষার্থীকে উচ্চ মাধ্যমিকের মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড, ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটাধারীদের গোত্রপ্রধান প্রদত্ত সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সঙ্গে রাখতে হবে। পরীক্ষা চলাকালে ভর্তি কমিটি অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ছাড়া অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও কোন প্রকার ব্যাগ সঙ্গে রাখতে পারবে না।
রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আগামী বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় রুয়েট দেশের জন্য দক্ষ জনবল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
সেই ধারা অব্যাহত রাখতে রুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আসন্ন ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের জালিয়াতি রোধে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে রুয়েট প্রশাসন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সন্দেহভাজন সব অবজেক্টকে গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে।