বাসস
  ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:২৭

খুলনায় নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক দুইদিনের কর্মশালা শেষ

ছবি: বাসস

খুলনা, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মুহাম্মদ আসাদুল হক বলেছেন, সংবাদ লেখার ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতা ও সংক্ষিপ্ততা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অপ্রয়োজনীয় বিশ্লেষণ বা অতিরিক্ত শব্দচয়ন পরিহার করে এক লাইনের তথ্য এক লাইনে উপস্থাপন করাই উত্তম। এতে তথ্য স্পষ্ট হয় এবং বিভ্রান্তির সুযোগ কমে। 

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে যেন জনগণ সচেতন হয় এবং সঠিক প্রার্থী নির্বাচনে উদ্বুদ্ধ হয়। অন্যায়, দুর্নীতি, অনিয়ম ও অত্যাচারের তথ্য সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরলে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ সহজ হয়।

আজ সোমবার দুপুরে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) কর্তৃক খুলনা সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন ছিলেন দৈনিক আমার দেশ এর ডেপুটি এডিটর সুলতান মাহমুদ বাদল, ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক জিয়াউর রহমান ও শিক্ষক নাজিয়া আফরিন মনামী।

পিআইবির সানোয়ার সাইদ শাহীনের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন খুলনা প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক, সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা। 

নগরীর সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে খুলনার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার ৫০ জন এবং খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে পৃথক কর্মশালায় জেলার ৯টি উপজেলার ৪৫ জন সাংবাদিক অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রশিক্ষণার্থী সাংবাদিকদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।

এ সময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, খুলনা বিভাগ একটি বৃহৎ এলাকা হওয়ায় সব তথ্য প্রশাসনের পক্ষে সরাসরি জানা সম্ভব হয় না। সাংবাদিকদের প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে কোনো অনিয়ম বা সমস্যা নজরে এলে প্রশাসন তা নিয়ে কাজ করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত জনগণের কল্যাণে আসে।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, সংবাদ, ফোন বা বার্তার মাধ্যমে নাগরিকবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে সহায়তা করলে তা প্রশাসনের কাজকে আরও সহজ করবে।