বাসস
  ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০০:২৯

নতুন গাইডলাইন: মানভেদে বছরে সর্বোচ্চ ১২ বার হাইস্কুল পরিদর্শন করতে হবে

ঢাকা, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে একাডেমিক সুপারভিশন ও মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করতে নতুন পরিদর্শন নির্দেশিকা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

শিক্ষার মানোন্নয়নে এখন থেকে প্রতিষ্ঠানের মান বা ক্যাটাগরি অনুযায়ী বছরে সর্বোচ্চ ১২ বার পর্যন্ত পরিদর্শনের নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।

ক্যাটাগরি অনুযায়ী পরিদর্শনের নিয়ম : মাউশি প্রণীত সর্বশেষ আইসাস রিপোর্টের ভিত্তিতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোকে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। এরমধ্যে দুর্বল স্কুলগুলোতে নজর বা পরিদর্শন বেশ করতে হবে।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিদর্শনের বার্ষিক সংখ্যা পাঁচটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত হবে।

এরমধ্যে 'এ' ক্যাটাগরির স্কুলগুলোতে প্রতি ৩ মাসে একবার (বছরে মোট ৪ বার) পরিদর্শনে যেতে হবে। ক্যাটাগরি 'বি' স্কুলে প্রতি ২ মাসে একবার (বছরে মোট ৬ বার), ক্যাটাগরি 'সি'তে প্রতি ৪৫ দিনে বা দেড় মাসে একবার (বছরে মোট ৮ বার) এবং 'ডি/ই' এবং 'ইউ' (অনির্ধারিত) ক্যাটাগরির স্কুলে প্রতি মাসে অন্তত একবার (বছরে মোট ১২ বার) পরিদর্শন করতে হবে।

কর্মকর্তাদের করণীয় ও সময়সীমা নিয়ে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে আগামী ২০ জানুয়ারি মধ্যে সমন্বয় সভা করতে হবে।

কর্মকর্তাদের মধ্যে স্কুল বণ্টনের পর পরিদর্শন পরিকল্পনাটি ২৮ জানুয়ারির মধ্যে ডিএমএস বা ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম অ্যাপ বা ড্যাশবোর্ডে ইনপুট দিতে হবে।

মাউশি জানিয়েছে, প্রতিটি জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে ন্যূনতম ৫টি বিদ্যালয় পরিদর্শন করতে হবে। যেসকল প্রতিষ্ঠান এখনো আইসাস জরিপের আওতায় আসেনি, সেগুলোকে 'ইউ' বা অনির্ধারিত ক্যাটাগরিতে রেখে মাসে অন্তত একবার বা প্রয়োজনে একাধিকবার তদারকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অ্যাপের মাধ্যমে তদারকি : মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা পরিদর্শন শেষে ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম অ্যাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং-এ প্রেরণ করতে হবে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রতিটি স্কুলের একাডেমিক কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং-এর পরিচালক প্রফেসর কাজী মো. আবু কাইয়ুম স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনার অনুলিপি দেশের সকল আঞ্চলিক পরিচালক, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।