বাসস
  ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৩৪

মনোনয়নপত্র বাতিল বা সংক্ষুব্ধ যে কেউ আপিল করতে পারবেন, যাচাই-বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত : ইসি সচিব

আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ইসিতে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। ছবি : বাসস

ঢাকা, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থী কিংবা বৈধ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপত্তি থাকলে সংক্ষুব্ধ যেকোনো ব্যক্তি ইসিতে আপিল করতে পারবেন।
 
তিনি বলেন, আপিল শুনানিতে দালিলিক প্রমাণ যাচাই-বাছাই করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ইসিতে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের একথা বলেন ।

ইসি সচিব বলেন, নির্বাচনে মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছিল। এর মধ্যে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি।  বিভিন্ন ত্রুটির কারণে ৭২৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করায় তাঁর তিনটি মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই ছাড়াই কার্যক্রম সমাপ্ত করা হয়।

আপিল প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা আজ (৫ জানুয়ারি) থেকে আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করতে পারবেন। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা যেমন আপিল করতে পারবেন, তেমনি কারও মনোনয়নপত্র বৈধ হলে তার বিরুদ্ধেও সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আপিল করতে পারবেন।

আখতার আহমেদ আরও বলেন, সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যেকোনো বিষয়ে আপিল করতে পারেন। তিনি সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ আপিল করলে কমিশন তা পর্যালোচনা করবে। অর্থাৎ আমরা এখন কাগজ জমা নেব, পরে সেগুলো পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের অডিটরিয়ামে আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। 

হলফনামা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সংক্রান্ত জটিলতা ও হয়রানির অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, রিটার্নিং অফিসাররা যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করেছেন। এরপরও যদি কোনো অসঙ্গতি থাকে বা কেউ সংক্ষুব্ধ হন, তবে সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে আপিল করলে, শুনানিতে তা পর্যালোচনা করা হবে।

এ সময় দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে তিনি জানান, গণমাধ্যমে কোনো খবর এলেই শুধু হবে না, এ বিষয়ে কেউ সুনির্দিষ্টভাবে আপিল করলে কমিশন তা খতিয়ে দেখবে।