শিরোনাম

ভোলা, ৪ জানুয়ারি ২০২৬ (বাসস) : ‘সবুজে সাজাই বাংলাদেশ’ এ প্রতিপাদ্যে বৃক্ষরোপণে প্রথম পুরস্কার অর্জন করলো ভোলার ‘প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব’। বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। গত বছরও ক্লাবটি প্রথম পুরস্কার অর্জন করেছিল।
গতকাল শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর পান্থপথে অবস্থিত পানি ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনারম্বর অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করেন, প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং চ্যানেল আই-এর পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু। ‘প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব’ ভোলার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন, ক্লাবের উপদেষ্টা ও ভোলার স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজিইউএস)-এর নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন এবং প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সভাপতি জাবির হাসনাইন ডিকেন।
বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা ও সু-সংগঠিত উদ্যোগের জন্য এবারও সংগঠনটি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। চলতি বছরে ভোলা জেলায় বাংলালিংক, জেলা কৃষি অধিদপ্তর ও গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজিইউএস) এর সহযোগিতায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চারা বিতরণ ও রোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ বিতরণ কার্যক্রমের মধ্যে দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ভোলা জেলা প্রথম পুরস্কার অর্জন করে। ‘প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব’ ভোলা, যা স্থানীয়ভাবে পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়নে ধারাবাহিকভাবে একটি উল্লেখযোগ্য ও যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ‘প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব’ ভোলা। ক্লাবের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চ্যানেল আইয়ের ভোলা জেলা প্রতিনিধি ও ভোলার বাণীর সম্পাদক মো. হারুন অর রশীদ।
উল্লেখ্য, ভোলার প্রত্যন্তঞ্চলে সবুজ বনায়ন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা উপকূলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে স্বচ্ছাসেবী এ সংস্থাটি দীর্ঘ দুইযুগ ধরে তাদর কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, সমাজ সচেতনতা, পরিবেশ বিনির্মাণ ও উপকূলের সবুজ বনায়নের স্বীকৃতিস্বরূপ দক্ষিণ জনপদের এ সংস্থাটি বিগত সরকারগুলোর জমানায় বেশ কয়েকবার জাতীয় পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন বাসসকে বলেন, গ্রামীণ জনপদের পরিবেশ রক্ষা আর দারিদ্র্য বিমোচনে তার গড়া গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা কয়েকযুগ ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, সংস্থাটির কাজের মাপকাঠি ও গুণগত মান বিবেচনা করে সরকারের দারিদ্র বিমোচন সংস্থা পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এএসএফ) তাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। ভোলার দারিদ্র্য দূরীকরণে সরকারের এই সংস্থাটি আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার সাথে একিভূত হয়ে কাজ করছে বলেও জানান এ নির্বাহী পরিচালক।