শিরোনাম

সংসদ ভবন, ২১ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস): অব্যবহৃত মোবাইল ডাটার মেয়াদ আনলিমিটেড করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সাথে আলোচনাক্রমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাগেরহাট-৪ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. আব্দুল আলীমের এক প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আজ সংসদে বলেন, দেশের প্রায় ১১ কোটি ৩৫ লাখ মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহকের ইন্টারনেট ব্যবহারের প্যাটার্ন এবং চাহিদা ভিন্ন ভিন্ন। এর সাথে তাল মিলিয়ে অপারেটরদের প্যাকেজ ডিজাইন করতে হয়।
তিনি বলেন, মোবাইল ইন্টারনেট ডাটার মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত ডাটা বাতিল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় এই সমস্যা নিরসনকল্পে সরকার সক্রিয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, উচ্চ স্থাপন ব্যয় এবং পরিচালন ব্যয় সম্পন্ন মোবাইল ইন্টারনেট জনগণের ক্রয়সীমার মধ্যে রাখতে অপারেটরসমূহ মেয়াদ ভিত্তিক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্যাকেজ আকারে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা গ্রাহকদের নিকট প্রদান করে। যাতে করে গ্রাহক তার চাহিদা অনুসারে ইন্টারনেট সেবা উপভোগ করতে পারে। এক্ষেত্রে মূল্যমান নির্ধারণে ভলিউমের সাথে মেয়াদটিও গুরুত্বপূর্ণ। মোবাইল ইন্টারনেটের মেয়াদ রাখা শুধুই ব্যবসায়িক বিষয় না, এর পেছনে টেকনিক্যাল, অর্থনৈতিক ও নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্টসহ তিনটি বিষয় কাজ করে। বিশ্বের প্রায় সকল দেশেই মোবাইল ইন্টারনেট এর মেয়াদভিত্তিক প্যাকেজ প্রচলিত।
তিনি জানান, বিটিআরসি থেকে কোন প্যাকেজের মেয়াদপূর্তির পূর্বে একই ডাটা প্যাকেজ ক্রয় কিংবা অটো রিনিউ করা হলে অব্যবহৃত ডাটা ক্যারি ফরওয়ার্ড এর বিধান রয়েছে। ফলে গ্রাহক তার মূল্যবান ডাটা হারনোর ভয় থাকে না। এছাড়াও বিটিআরসি'র নির্দেশনাক্রমে সকল অপারেটর এর সুদীর্ঘ মেয়াদের (১০ বছর) ডাটা প্যাকেজ রয়েছে যা একরূপ আনলিমিটেড মেয়াদেরই নামান্তর।
তিনি আরও জানান, সরকার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর মাধ্যমে ইতোমধ্যে আনলিমিটেড মেয়াদের ৩টি (তিন) ইন্টারনেট ডাটা প্যাকেজ বাজারে প্রবর্তন করছে। উক্ত প্যাকেজসমূহের আওতায় নির্ধারিত ডাটা ভলিউম শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রাহকের ডাটা মেয়াদোত্তীর্ণ হবে না।