বাসস
  ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:৪৪

ময়মনসিংহে জামায়াত, বিএনপি ও বিদ্রোহীদের দাপটে জটিল সমীকরণ

ফাইল ছবি

আব্দুল কাইয়ুম

ময়মনসিংহ, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহে নির্বাচনী মাঠ পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়েছে। ১৯ জন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে চূড়ান্তভাবে ৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছেন। 

বুধবার (২১ জানুয়ারি) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান এবং জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান প্রতীক বরাদ্দ শেষে প্রার্থী ও সমর্থকদের নির্বাচন আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান। 

এবারের নির্বাচন অতীতের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে ব্যতিক্রম হবে এবং এটিকে একটি দৃষ্টান্তমূলক ‘মডেল নির্বাচন’ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক। এ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ সালমান ওমর রুবেল ঘোড়া প্রতীকে নির্বাচন করছেন, যা দলীয় প্রার্থীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. তাজুল ইসলাম রিকশা, ইসলামী আন্দোলনের মো. জিল্লুর রহমান হাতপাখা, কমিউনিস্ট পার্টির আজহারুল ইসলাম কাস্তে এবং সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. আ. রাজ্জাক কাঁচি প্রতীক পেয়েছেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স প্রতীক পেয়ে বলেন, সীমান্তবর্তী এ জনপদে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার। 

অন্যদিকে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ সালমান ওমর রুবেল বলেন, দলীয় কোন্দল নয়, জনগণের প্রকৃত সমস্যা সমাধানই তাঁর রাজনীতির লক্ষ্য এবং অবহেলিত পাহাড়ি ও চরাঞ্চল উন্নয়ন তার অগ্রাধিকার।

ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার পেয়েছেন ধানের শীষ। তবে এই আসনে বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা জটিল হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক পেয়েছেন কলস এবং বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা শাহ শহীদ সারোয়ার পেয়েছেন ঘোড়া প্রতীক। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদুল্লাহ রিকশা, ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মাওলা ভূইয়া হাতপাখা, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. জুলহাস উদ্দিন শেখ একতারা এবং জাতীয় পার্টির মো. এমদাদুল হক খান লাঙ্গল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বিএনপির প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেন, ফুলপুর ও তারাকান্দার গ্রামীণ সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে তিনি কাজ করতে চান। এই আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শাহ শহীদ সারোয়ার একটি মামলায় বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছেন বিধায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বিএনপির এম. ইকবাল হোসেইন ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন। এ আসনেও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী দৃশ্যমান। বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণ ঘোড়া প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের মো. শরিফুল ইসলাম হাতপাখা, সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) এ.কে.এম. আরিফুল হাসান কাঁচি এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মো. আবু তাহের খান বই প্রতীক পেয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন। 

বিএনপির এম. ইকবাল হোসেইন বলেন, গৌরীপুরের হাওরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবেন। বিদ্রোহী বিএনপি নেতা আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণ বলেন, শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়, তাই তিনি বেকারত্ব ঘোচাতে তরুণদের জন্য শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে জোর দেবেন।

ময়মনসিংহ-৪ (ময়মনসিংহ সদর) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ পেয়েছেন ধানের শীষ। এখানে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ কামরুল আহসান এমরুল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। জাতীয় পার্টির মো. মূসা সরকার লাঙ্গল, কমিউনিস্ট পার্টির এমদাদুল হক মিল্লাত কাস্তে, গণসংহতি আন্দোলনের মোস্তাফিজুর রহমান মাথাল, ইসলামী আন্দোলনের মো. নাসির উদ্দিন হাতপাখা, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. লিয়াকত আলী একতারা, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. হামিদুল ইসলাম আম এবং সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) শেখর কুমার রায় কাঁচি প্রতীক পেয়েছেন।

বিএনপির প্রার্থী মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, নগরীর যানজট, ড্রেনেজ, স্বাস্থ্য ও নাগরিক সেবা আধুনিক করাই তার প্রধান লক্ষ্য। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুল আহসান এমরুল বলেন, নৈতিক নেতৃত্ব ও সুশাসনের মাধ্যমে শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করাই তার উন্নয়ন দর্শন।

ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বিএনপির মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলু ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা মো. মতিউর রহমান আকন্দ, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। 

বিএনপির মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলু বলেন, মুক্তাগাছার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তার অগ্রাধিকার। জামায়াত প্রার্থী মো. মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন ও যুব সমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করাই তার নির্বাচনী লক্ষ্য।

ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনে বিএনপির মো. আখতারুল আলম ফারুক পেয়েছেন ধানের শীষ। জামায়াতে ইসলামীর মো. কামরুল হাসান মিলন দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলনের মো. নূরে আলম সিদ্দিকী হাতপাখা প্রতীকে রয়েছেন। এখানে জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত নেতা অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন ঘোড়া প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন, যা জামায়াতের অভ্যন্তরীণ বিভাজন স্পষ্ট করছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতার সুলতানা পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক। বিএনপির মো. আখতারুল আলম ফারুক বলেন, গ্রামীণ সড়ক, কৃষি ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোই তার মূল পরিকল্পনা। জামায়াত থেকে বহিস্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, দল নয়, এলাকার মানুষের প্রত্যাশাই তার রাজনীতির চালিকাশক্তি।

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতে ইসলামীর মো. আছাদুজ্জামান সোহেল দাঁড়িপাল্লা এবং জাতীয় পার্টির মো. জহিরুল ইসলাম লাঙ্গল প্রতীক পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়নাল আবদীন পেয়েছেন মোটরসাইকেল। এই আসনে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন বিএনপি নেতা ও সাবেক এমপি আব্দুল খালেকের ছেলে মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত, যিনি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে কাপ-পিরিচ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।

বিএনপির ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মানোন্নয়নই হবে তার অগ্রাধিকার। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত বলেন, ত্রিশালের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও তরুণদের কর্মসংস্থানে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেবেন।

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে বিএনপির লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন। এলডিপির মো. আওরঙ্গজেব বেলাল পেয়েছেন ছাতা এবং জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম পেয়েছেন লাঙ্গল। এই আসনে বিএনপির বিদ্রোহী নেতা শাহ নূরুল কবির শাহীন দল বদল করে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হয়ে হাতপাখা প্রতীকে নির্বাচন করছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

বিএনপির লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বলেন, আধুনিক ঈশ্বরগঞ্জ গড়তে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নদীভাঙন রোধ তার প্রধান লক্ষ্য। বিএনপি থেকে বিদ্রোহী হয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শাহ নূরুল কবির শাহীন বলেন, দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকে জনগণের অধিকার রক্ষাই তার অঙ্গীকার।

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বিএনপির ইয়াসের খান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় পার্টির হাসমত মাহমুদ লাঙ্গল, গণফোরামের মো. লতিফুল বারী হামিম উদীয়মান সূর্য, ইসলামী আন্দোলনের মো. সাঈদুর রহমান হাতপাখা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির একেএম একেএম আনোয়ারুল ইসলাম ফুলকপি প্রতীক পেয়েছেন। এই আসনে সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হাঁস প্রতীকে নির্বাচন করছেন।

বিএনপির ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কৃষি ও শিক্ষার উন্নয়নের মাধ্যমে নান্দাইলকে এগিয়ে নেওয়াই তার লক্ষ্য। স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনা খান চৌধুরী বলেন, নারী উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তার রাজনীতির মূল প্রতিশ্রুতি।

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে বিএনপির মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু পেয়েছেন ধানের শীষ। জামায়াতে ইসলামীর মো. ইসমাঈল দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির মো. আল আমিন সোহান লাঙ্গল, ইসলামী আন্দোলনের মো. হাবিবুল্লাহ বেলালী হাতপাখা, এলডিপির সৈয়দ মাহমুদ মোরশেদ ছাতা, কমিউনিস্ট পার্টির মো. সাইফুস সালেহীন কাস্তে এবং গণসংহতি আন্দোলনের এ.কে.এম. শামসুল আলম মাথাল প্রতীকে লড়ছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মতিউর রহমান ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন। এই আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিকুর রহমান হাঁস প্রতীকে মাঠে থাকায় ভোটের হিসাব আরও জটিল হয়েছে।

বিএনপির মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, শিল্পাঞ্চল ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি তার অগ্রাধিকার। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিকুর রহমান বলেন, স্থানীয় মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নই তার লক্ষ্য।

ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির ফখর উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির জাহিদুল ইসলাম শাপলা কলি, গণ অধিকার পরিষদের মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম ট্রাক এবং ইসলামী আন্দোলনের মো. মোস্তফা কামাল হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন। এখানে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম পেয়েছেন হরিণ প্রতীক।

বিএনপির ফখর উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক অধিকার ও অবকাঠামো উন্নয়ন তার প্রধান লক্ষ্য। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ভালুকার সার্বিক উন্নয়নই তার অঙ্গীকার।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান বাসসকে বলেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন আচরণবিধি মেনে প্রচার-প্রচারণার মধ্য দিয়েই ময়মনসিংহের ১১ আসনে শুরু হলো বহুমাত্রিক ও বিদ্রোহী-নির্ভর এক কঠিন নির্বাচনী লড়াই।