বাসস
  ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:২১

প্রশাসন কোনো প্রার্থী বা দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবে না : অর্থ উপদেষ্টা

সোমবার লক্ষ্মীপুরে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন অর্থ উপদেষ্টা। ছবি : বাসস

লক্ষ্মীপুর, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : অর্থ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আসন্ন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হবে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে। প্রশাসন কোনো প্রার্থী বা দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবে না এবং সবাই সমান সুযোগ পাবে।

আজ সোমবার বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এখানে কোনো প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলিনি। আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলেছি। জনগণ যেন সমান সুযোগ পায়-আমরা সে ব্যবস্থা করবো। নির্বাচন পরিচালনায় প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকবে এবং কোনো ধরনের প্রভাব বা হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না।’

তিনি বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার পর সভা-সমাবেশ নির্বাচন কমিশনের বিধি-বিধান অনুযায়ী চলবে।

গণভোট প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সরকার সবাইকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে চায়, যাতে জনপ্রতিনিধিরা মানুষের জন্য কথা বলেন এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। 

তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা আপনাদের ইচ্ছামতো ভোট দেবেন। তবে ‘হ্যাঁ’-তে ভোট দিলে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জবাবদিহিতার আওতায় থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম রয়েছে, তবে সামনে নানা চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এর আগে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক এস. এম. মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও পৌর প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সম্রাট খীসা এবং জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুর রশিদ।

মতবিনিময় সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।