শিরোনাম

জাতীয় সংসদ, ১১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন যাত্রা শুধু শহরকেন্দ্রিক না রেখে গ্রামীণ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং লক্ষ্যভিত্তিক কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই কথা বলেন।
বাজেট বক্তৃতায় মন্ত্রী বলেন, গ্রামের নিরক্ষর ব্যক্তি, গৃহিণী, প্রবীণ ও দীর্ঘমেয়াদি বেকারদের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক কর্মসংস্থান কার্যক্রম চালু করা হবে। এর আওতায় হাঁস-মুরগি ও পশুপালন, হস্তশিল্প, কুটিরশিল্প, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং ডিজিটাল দক্ষতা প্রশিক্ষণসহ সুলভে ক্ষুদ্রঋণ ও সরঞ্জাম সহায়তা প্রদান করা হবে।
দেশের অর্থনীতিতে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের অবদানের কথা উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রিকশাচালক, দিনমজুর, হকার ও পরিবহন শ্রমিকসহ এই খাতে নিয়োজিত সবার জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও যৌক্তিক মজুরি নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হবে।
তিনি বলেন, দেশের জনমিতিক লভ্যাংশ (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) সুবিধা ২০৪০ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে। এই সুবিধাকে কাজে লাগাতে কর্মক্ষম যুব জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা, বাজারভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, ২০৪০ সালের পর দেশে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে বিধায় প্রবীণ জনগোষ্ঠীর ভবিষ্যৎ উন্নয়নে এখন থেকেই কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়টিকে সরকার গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে বলে উল্লেখ করেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী।