শিরোনাম

ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস): আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। কেউ যদি ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করেন, তাহলে ওই আসামির পক্ষে আর আপিল করার সুযোগ থাকবে না।
আইনে পরিষ্কার বলা আছে রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। পরবর্তী সময়ে আর কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না।
আজ নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। এসময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আবুল কালাম আযাদ (একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত) অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন। তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক আদেশে আপিল দায়েরের শর্তে তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলেছিল। সরকারের ওই আদেশ ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে বলা আছে, ৩০ দিন পর আর কোনো আপিল করা যাবে না। নির্বাহী আদেশের কোনো এখতিয়ার নেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনকে সুপারসিড (রদ করে বা অতিক্রম করে) করে কোনো আদেশ দেওয়ার। অতএব আবুল কালাম আযাদকে আপিল দায়েরের শর্তে আত্মসমর্পণের যে সুযোগ দিয়েছিল, এ অংশ ইললিগ্যাল, আনলফুল। কিন্তু আবুল কালাম আযাদের সাজা স্থগিতের বিষয়ে তাদের কোনো দ্বিমত নেই। সেটা সরকারের এখতিয়ার আছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আবুল কালাম আযাদকে এই ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি যেকোনো কারণেই হোক দীর্ঘদিন বাংলাদেশ থেকে অনুপস্থিত ছিলেন অথবা তিনি আপিলটা ফাইল করতে পারেননি বা করেননি। আইনে পরিষ্কার করে বলা আছে, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। আইনে এটাও বলা আছে, যদি ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা না যায়, তাহলে পরবর্তী সময়ে আর কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না। সেটা যে কারও আপিলই হোক। সেটা হোক শেখ হাসিনার, সেটা হোক আবুল কালাম আযাদের, অর্থাৎ যেকোনো পলাতক আসামি অথবা যারা জেলে আছেন তাকে অবশ্যই আপিলটা করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে। কেউ যদি ৩০ দিনের মধ্যে এসে আপিল না করেন, তাহলে ওই আসামির পক্ষে আর আপিল (করার) দায়েরের সুযোগ থাকবে না।