শিরোনাম

ঢাকা, ১৮ মে, ২০২৬ (বাসস): জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) অধীনে জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারে (টোল ফ্রি নম্বর) ২ লাখ ৪ হাজার ২০৫ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে।
লিগ্যাল এইড-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইড-এর মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য সেখানে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সংস্থার অধীনে সরকারি খরচে জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারের (টোল ফ্রি-‘১৬৬৯৯’) মাধ্যমে ২ লাখ ৪ হাজার ২০৫ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২৭ হাজার ১৬৭ জন; দেশের ৬৪ জেলার লিগ্যাল এইড অফিসের ৩ লাখ ২০ হাজার ৭৫৩ জন এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনি সহায়তা সেলের মাধ্যমে ২২ হাজার ১৫৩ জনকে আইনি সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
সবমিলিয়ে সরকারি খরচায় ৫ লাখ ৭৪ হাজার ২৭৮ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে।
শুরুতে জেলা পর্যায়ে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য এ আইনি সেবা দেওয়া শুরু হয়। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট, টোল ফ্রি-‘১৬৪৩০’ কল সেন্টার চালু, ঢাকা ও চট্রগ্রামে শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল ও এবং দেশের কারাগারগুলোতে সেবাটি চালু করা হয়।
সম্প্রতি এ সেবার টোল ফ্রি নম্বর পরিবর্তন করে আরও সহজ করা হয়েছে। টোল ফ্রি নতুন নম্বর '১৬৬৯৯'।
২০১৩ সাল থেকে লিগ্যাল এইড-এ শ্রমিক আইন সহায়তা সেলের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৬ থেকে জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টার টোল ফ্রি নাম্বার চালু হয়। তারপর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ২ লাখ ১ হাজার ৫৭৭ জন আইনি পরামর্শ সেবা পেয়েছেন।
হট লাইনের মাধ্যমে তথ্য সেবা প্রদানে জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টার স্থাপনের পূর্ব পর্যন্ত ১৭ হাজার ৩২৮ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের’ অধীনে সরকারি খরচে এ সেবা দেওয়া হয় এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।