বাসস
  ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:২৫

কেশবপুরে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করব: জামায়াত প্রার্থী মোক্তার আলী

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মোক্তার আলী।  ছবি: বাসস

যশোর, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বাসস): ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মোক্তার আলী নির্বাচিত হয়ে কেশবপুর উপজেলার শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সম্প্রতি বাসসের সাথে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ প্রতিশ্রুতির কথা বলেন। 

তিনি বলেন, যেহেতু আমি পেশায় শিক্ষক, তাই স্থানীয়ভাবে শিক্ষার মান যতটুকু উন্নয়ন করা যায় আমি চেষ্টা করবো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। 

যশোর ৬ আসনের জামায়াত প্রার্থী মো. মোক্তার আলী দীর্ঘকাল কেশবপুর কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। শিক্ষক হিসেবে এলাকায় তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও জনপ্রিয়।

তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন বাসসের যশোর জেলা সংবাদদাতা মো. সাইফুল ইসলাম। 

বাসস: আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি কী? 

মোক্তার আলী: কেশবপুর পৌরসভাসহ উপজেলার বড় একটি অংশে প্রতিবছর জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সরকারের সহযোগিতায় এ সমস্যা সমাধানের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবো। কেশবপুর কৃষিপ্রধান অঞ্চল। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কেশবপুর হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি করে আধুনিকায়নের চেষ্টা করা হবে। মাদকাসক্তদের সুস্থ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একইসাথে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা হবে। সব ধর্ম, সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে সৌহার্দ্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্থাপনের জন্য চেষ্টা করবো। 

বাসস : নির্বাচনি আচরণবিধি পালনে নেতাকর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী? 

মোক্তার আলী: জামায়াতে ইসলামীর নেতা, কর্মী ও অনুসারীদের সবচেয়ে বড় গুণ হলো, তারা শৃঙ্খলা মেনে চলে। নির্বাচনি যে আচরণবিধি দেওয়া হয়েছে, তা আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চলের নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের জানানোর চেষ্টা করেছি। আচরণবিধি যাতে তারা শতভাগ মেনে চলে সে ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছি।

বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?
মোক্তার আলী: বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কার করার জন্য গণভোটে হ্যাঁ-এর কোনো বিকল্প নেই। তাই আমরা হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করছি।

বাসস : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী? 

মোক্তার আলী: লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। এখন পর্যন্ত ভালো অবস্থা রয়েছে। ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত যেন এমন পরিস্থিতি থাকে, সেই প্রত্যাশা করি। 

আগামী ১২ জুলাইয়ের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের অন্যান্যরা হলেন, বিএনপির মো. আবুল হোসেন আজাদ, জাতীয় পার্টির জি. এম হাসান, এবি পার্টির মো. মাহমুদ হাসান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শহিদুল ইসলাম। 

কেশবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত যশোর-৬ আসনে ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। আসনটিতে মোট ভোটার ২ লাখ ২৯ হাজার ১৬৩ জন। যারা মধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৪৪ জন পুরুষ, ১ লাখ ১৩ হাজার ৯১৭ জন নারী ও ২ তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। এ আসন থেকে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন ২ হাজার ৭৪০ জন ভোটার।