শিরোনাম

বগুড়া, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মীর মাহমুদুর রহমান বলেছেন, ইনসাফভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করাই মূল লক্ষ্য।
অর্থনৈতিক, ভৌগলিক নানা দিক থেকে বগুড়ার ৭টি আসনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বগুড়া-৫ আসন। আসনটি বরাবরই বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দখলে ছিল।
২০২৪ সালে আওয়ামী লীগের পতনের পর আসনটিতে নতুন করে ভোটের সমীকরণ সৃষ্টি হয়েছে। সেই সমীকরণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মীর মাহমুদুর রহমানের শক্ত অবস্থান দেখা গেছে। নির্বাচনকে ঘিরে জনগণের কাছে এই প্রার্থীর প্রতিশ্রুতিসহ নানা বিষয় নিয়ে আলাপ হয় বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) জেলা সংবাদদাতা কালাম আজাদের।
বাসস : আপনার স্থানীয় ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?
মীর মাহমুদুর রহমান: আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইনসাফভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা। এলাকার মানুষের নৈতিক উন্নয়ন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে ইসলামী আন্দোলন কাজ করবে।
বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?
মীর মাহমুদুর রহমান: ইসলামী আন্দোলন সবসময় শালীন ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালানোর জন্য আমাদের কর্মীদের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।
বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?
মীর মাহমুদুর রহমান: গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে জনগণের অংশগ্রহণ থাকা উচিত। তবে গণভোট যেন প্রভাবমুক্ত ও ন্যায়সঙ্গত হয়, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
বাসস : আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?
মীর মাহমুদুর রহমান: আমি একটি গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করি, যেখানে মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবে। জনগণের রায়কে সম্মান করাই ইসলামী আন্দোলনের নীতি।
বগুড়া-৫ আসনে এবার মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর দবিবুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের মীর মো. মাহমুদুর রহমান (হাতপাখা), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির শিপন কুমার রবিদাস (কাস্তে), এলডিপির খান কুদরত ই সাকলাইন (ছাতা)।
আসনটিতে ১৮৮টি ভোট কেন্দ্রে মোট কক্ষ আছে ১ হাজার ২৩টি। এর মধ্যে ৯৯৭ টি স্থায়ী ও ২৬ টি অস্থায়ী। শেরপুর উপজেলায় মোট ভোটার ৩ লাখ ৬ হাজার ৮৪১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮৬২ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭৬ জন এবং হিজড়া ভোটার ৩ জন।
ধুনট উপজেলায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪৯৯ জন। এ উপজেলায় পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩১ হাজার ৪২৫ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৩৪ হাজার ৭১ জন এবং হিজড়া ভোটার ৩ জন।