বাসস
  ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২:২৮

কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক ডা. কর্নেল (অব.) জেহাদ খানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি

ছবি: সংগৃহীত

মোশতাক আহমদ

ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অধ্যাপক ডা. কর্নেল (অব.) জেহাদ খান তার নির্বাচনী এলাকায় নতুন সড়ক নির্মাণ, চিকিৎসা সেবার পরিধি বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আজ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

ডা. কর্নেল (অব.) জেহাদ খান বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার সংস্কার, কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।”

তিনি জানান, আমার আসনে করিমগঞ্জ ও তাড়াইলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। নির্বাচনী এলাকার শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের এলাকার ছেলেমেয়েরা শিক্ষায় পিছিয়ে আছে। এর মূল কারণ ভালো শিক্ষকের অভাব এবং পর্যাপ্ত অবকাঠামোর ঘাটতি। অনেক সরকারি স্কুলে একটি ক্লাসে ২০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে, যা কার্যকর শিক্ষাদানের জন্য অনুপযুক্ত।”

জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, তার নির্বাচনী এলাকায় প্রায় সাড়ে চার লাখ ভোটার রয়েছে, যার অর্ধেক নারী। একটি পৌরসভা ও ১৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে তিনি ব্যাপক গণসংযোগ করছেন।

গণসংযোগে সাড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গত ১৫ দিনে জোয়ারের মতো মানুষ আমার জনসভায় আসছে। অধিকাংশ মানুষ এখন আমাকে চিনতে পারে এবং আমার কথা শুনতে আগ্রহী।”

তিনি আরও বলেন, ভোটাররা তাকে জানিয়েছেন, তারা কোনো আর্থিক সুবিধা চান না, বরং চান একজন এমপি, যিনি সবসময় তাদের পাশে থাকবেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচিত হলে সুখে-দুঃখে এলাকার মানুষের পাশে থাকবেন।

ডা. জেহাদ খান বলেন, “তাড়াইল ও করিমগঞ্জের মানুষ চান এমপি যেন তাদের বিপদের বন্ধু হয়। দরিদ্র এলাকা হওয়ায় তারা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি চান। আমি তাদের সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।”

তিনি রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ের অনেক রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বর্ষাকালে এসব রাস্তায় পানি জমে গর্ত হয়ে যায়, ফলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ে।

হাওর অধ্যুষিত এ আসনের বিষয়ে তিনি বলেন, “হাওরের সুস্বাদু মাছ স্থানীয়রা অনেক সময় খেতে পারে না, কারণ ব্যবসায়ীরা তা উচ্চমূল্যে কিনে নিয়ে যায়। আমি পরিকল্পনা করেছি ইলিশের মতো হাওরের মাছের জন্য প্রজনন মৌসুম নির্ধারণ করব এবং জেলেদের প্রণোদনা দেব।”