বাসস
  ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:৪৮

দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই : টাঙ্গাইল-৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ আখি নূর মিয়া। ছবি: বাসস

টাঙ্গাইল, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর ও দেলদুয়ার) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ আখি নূর মিয়া বলেছেন, মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চাই।

নির্বাচন ঘিরে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) টাঙ্গাইল জেলা সংবাদদাতা মহিউদ্দিন সুমন।

বাসস : আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?
আখি নূর মিয়া : জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে নির্বাচনী এলাকা নাগরপুর ও দেলদুয়ারে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। সেই সঙ্গে দল মত নির্বিশেষে সর্ব শ্রেণি পেশা মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও তাদের উন্নয়নে কাজ করার চেষ্টা করবো।

বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে নেতা-কর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?
আখি নূর মিয়া : নির্বাচন আচরণবিধি সরকারের একটি আইন ও নিয়ম নীতি। এরই মধ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে আমার নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছি। নেতাকর্মীরা নির্বাচনী আইন মেনে নির্বাচনে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?
আখি নূর মিয়া : দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দুই হাজারের অধিক শহীদ এবং হাজারো লোক পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। গণঅভ্যুত্থানের পক্ষেই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া দরকার বলে আমি মনে করি। গণভোটের বিষয়ে ভোটারদের বলবো, সবাই যাতে গণভোটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ভোট দেয়।

বাসস : আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?
আখি নূর মিয়া : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হোক এটাই আমার চাওয়া। সরকারও চায় সুষ্ঠু নির্বাচন করতে। ভোটাররা যাকে খুশি তাকে ভোট দিক। এই নির্বাচনে যাতে ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারে সেটাই আমার প্রত্যাশা।

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর ও দেলদুয়ার) আসনটি দুইটি উপজেলার ২০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। আসনে মোট ১৫৪টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। ভোটারের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার  ৭৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৮ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭৪ জন এবং ৪ জন তৃতীয় লিঙ্গের।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীরা হলেন, বিএনপি প্রার্থী রবিউল আউয়াল লাভলু (ধানের শীষ), জামায়েত ইসলামীর এ কে এম আব্দুল হামিদ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আখি নূর মিয়া (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী জুয়েল সরকার (হরিণ), জাতীয় পার্টির মো. মামুনুর রহিম (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র পার্থী মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম (মোরক) ও জাতীয় পার্টির (জেপি) তারেক শামস খান (বাইসাইকেল)।