শিরোনাম

নাটোর, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলাম চলনবিলে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এছাড়া চলনবিলের ঐতিহ্যবাহী মাছের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে চান তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন মো. আনোয়ারুল ইসলাম আনু। তিনি বিএনপির নাটোর জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ।
নির্বাচনে এ আসনে শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যক্ষ মো. আনোয়ারুল ইসলাম আনু। তিনি নির্বাচন নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) নাটোর জেলা সংবাদদাতা ফারাজী আহম্মদ রফিক বাবন।
বাসস : আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?
আনোয়ারুল ইসলাম : চলনবিল বাংলাদেশের সম্পদ। এই বিলের শস্য এবং মাছ বিখ্যাত। উৎপাদিত শস্যনির্ভর কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে চাই। উৎপাদিত মাছের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চাই। এছাড়া এলাকার শিক্ষিত যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই।
বিগত সময়ের মত নয়, সিংড়ার মানুষ সন্ত্রাসমুক্ত, দুর্র্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত পরিবেশ চায়, শান্তিতে থাকতে চায়। তাদের প্রত্যাশিত শান্তির জনপদ গড়ে তুলতে চাই।
সর্বোপরি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নতুন বাংলাদেশ গড়তে ৩১ দফা প্রদান করেছেন। বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাসযোগ্য সিংড়া গড়তে চাই।
বাসস : নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে নেতা-কর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?
আনোয়ারুল ইসলাম : আমরা সব সময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। নির্বাচনের সকল আচরণবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনে দলের নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা সেই নিদের্শনা পালন করছে। আগামীতেও তারা আচরণবিধি পালন করে যাবে।
বাসস : জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?
আনোয়ারুল ইসলাম : জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে আমাদের দলের অবস্থান। তাই আমার অবস্থানও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে।
বাসস : আসন্ন সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?
আনোয়ারুল ইসলাম : সকলের সহযোগিতা, সমর্থন এবং দোয়ায় জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমি সিংড়াকে শান্তির জনপদে পরিণত করতে চাই।
নাটোর-৩ আসন সিংড়া উপজেলার একটি পৌরসভা এবং ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ১১৮টি ভোট কেন্দ্র। আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৭২ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৬৪ হাজার ৮৭ জন পুরুষ, এক লাখ ৬২ হাজার ৭৮১ জন নারী এবং ৪ জন তৃতীয় লিঙ্গের।
বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. আনোয়ারুল ইসলাম আনু ছাড়াও এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অন্য পাঁচ প্রার্থী হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খলিলুর রহমান (হাতপাখা), জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র এস এম জার্জিস কাদির (শাপলা কলি), জাতীয় পার্টির মো. আশীক ইকবাল (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র মো. দেলোয়ার হোসেন পাশা (ফুটবল) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. দাউদার মাহমুদ (ঘোড়া)।