বাসস
  ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:০৮
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:১৮

সাভার-আশুলিয়াবাসীকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত করতে চাই: এনসিপি প্রার্থী দিলশানা পারুল

দিলশানা পারুল। ফাইল ছবি

সাভার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী দিলশানা পারুল আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলে সাভার-আশুলিয়াবাসীকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক মুক্ত করার অঙ্গীকার করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সাভার-আশুলিয়ায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে। বিজয়ী হলে এসব থেকে আমি তাদেরকে মুক্ত করতে চাই।’

সম্প্রতি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সমর্থিত এই প্রার্থী এসব কথা বলেন।

দিলশানা পারুল বলেন, ‘সাভারের ডাম্পিং স্টেশন নিয়ে এখানকার নাগরিকরা চরম ভোগান্তিতে রয়েছে, নির্বাচিত হলে এ সমস্যা সমাধানে কাজ করবো। এছাড়াও এ অঞ্চলে নারীর সংখ্যা বেশী। সেই বিবেচনায় নারীদের মাতৃত্বকালীন খরচ সম্পূর্ণভাবে সরকারিভাবে বহনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চল অধ্যুষিত এ আসনের নারী শ্রমিকদের জন্য একটি হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।’ 

সর্বোপরি সাভার-আশুলিয়াবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এ আসনকে শ্রমিক-ব্যবসায়ীবান্ধব এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।

দিলশানা পারুল নির্বাচনে আচরণবিধি পালন প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি দলীয় নেতা-কর্মীদের আচরণবিধি যথাযথভাবে পালনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।’ 

গণভোটের পক্ষে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা উল্লেখ করে দিলশানা পারুল বলেন, ‘এটা নিয়ে আমাদের জোটের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট। এ ব্যাপারে আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে আছি।’

তিনি বলেন, ‘আমার নিজের শাপলা কলি প্রতীকে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছি।’

এনসিপি নেত্রী  দিলশানা পারুল এসময় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সংসদীয় এ আসনে এনসিপির দিলশানা পারুল ছাড়াও বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী বাহাদুর ইসলাম, গণ-অধিকার পরিষদের শেখ শওকত হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ ফারুক খান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. ইসরাফিল হোসেন সাভারী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. কামরুল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী। 

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, ঢাকা-১৯ সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৭০ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৩ লাখ ৬৭ হাজার ১৫১ জন এবং পুরুষ ভোটার ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯১৯ জন। এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ২৭৮টি।