বাসস
  ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৪

চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে প্রতিবাদ জানালো সলোমন দ্বীপপুঞ্জ

ঢাকা, ৭ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : সলোমন দ্বীপপুঞ্জের প্রধানমন্ত্রী ম্যাথিউ ওয়ালে মঙ্গলবার জানান, চীনের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর উদ্বেগের কথা তুলে ধরে বেইজিংয়ের কূটনীতিকদের কাছে ‘জোরালো প্রতিবাদ’ জানানো হয়েছে।

সোমবার একটি চীনা সাবমেরিন থেকে দূরপাল্লার পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম বলে পর্যবেক্ষকদের বর্ণনা করা একটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়। সেটি প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে পড়ে।

সিডনি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও জাপান। তবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় ছোট দেশগুলো এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক জোট প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরামের চেয়ারম্যান হিসেবে ওয়ালে বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রদূতের কাছে আমার জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছি।’

রাজধানী হনিয়ারায় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সলোমন দ্বীপপুঞ্জও একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদপত্র দিয়েছে।’
ওয়ালের এ সমালোচনা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সলোমন দ্বীপপুঞ্জ দীর্ঘদিন ধরেই চীনের ঘনিষ্ঠতম অংশীদারদের একটি।

পর্যবেক্ষকদের মতে, ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত সলোমন দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি এলাকায় গিয়ে পড়ে। ২০২২ সালে দেশটি চীনের সঙ্গে একটি গোপনীয় নিরাপত্তা চুক্তি করেছিল।

চলতি বছরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ওয়ালে বেইজিংয়ের প্রতি তুলনামূলক সংযত অবস্থান নিয়েছেন। তিনি চীনের সঙ্গে হওয়া নিরাপত্তা চুক্তিটি পুনর্বিবেচনারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তাইওয়ানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত জেএল-২ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি কয়েক হাজার কিলোমিটার পাল্লার একটি শক্তিশালী অস্ত্র।