শিরোনাম

ঢাকা, ২২ মে, ২০২৬ (বাসস) : দক্ষিণ লেবাননে বিমান হামলা চালিয়ে দুইজনকে হত্যা করা হয়েছে বলে শুক্রবার দাবি করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। নিহতরা সশস্ত্র ছিল এবং ‘সন্দেহজনকভাবে চলাফেরা করছিল’ বলে দাবি করেছে দেশটি।
এলাকাটিতে ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে হিজবুল্লাহর সংঘাত চলমান রয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত সপ্তাহে ইসরাইল ও লেবাননের কর্তৃপক্ষ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ালেও দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইল এবং ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে নিয়মিতভাবে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী টেলিগ্রামে এক পোস্টে জানায়, ‘কিছুক্ষণ আগে আইডিএফের নজরদারিতে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি সীমান্ত থেকে কয়েকশ মিটার দূরে সন্দেহজনকভাবে চলাচল করা দুই সশস্ত্র ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়।’
আইডিএফ জানায়, তাদের শনাক্ত করার পর দীর্ঘ সময় নজরদারিতে রেখে ওই দুই সশস্ত্র ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়।
গত ১৭ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননে হামলা, ভবন ধ্বংস এবং বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ অব্যাহত রেখেছে। হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে এসব অভিযান চালানো হচ্ছে বলে দাবি ইসরাইলের।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহও ইসরাইলের ওপর পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে হিজবুল্লাহ গত ২ মার্চ ইসরাইলে রকেট হামলা চালায়। এরপর থেকেই সংঘাত আরও তীব্র হয়।
হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে ইসরাইল ব্যাপক বিমান হামলা ও স্থল অভিযান শুরু করে দক্ষিণ লেবাননে। সেখানে তারা সীমান্ত বরাবর প্রায় ১০ কিলোমিটার ভেতরে ঘোষিত ‘ইয়েলো লাইন’ এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে এখন পর্যন্ত ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৩ হাজার ৮৯ জন নিহত হয়েছেন।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এই সংঘাতে তাদের ২২ জন সদস্য নিহত হয়েছেন।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে তৃতীয় দফা সরাসরি আলোচনার পর নাজুক যুদ্ধবিরতিটি আরও ৪৫ দিনের জন্য বাড়ানো হয়েছে। তবে হিজবুল্লাহ এই আলোচনার বিরোধিতা করে আসছে।