শিরোনাম

ঢাকা, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : ইউরোপে অবৈধ অভিবাসন ও ব্রাসেলসের আমলাতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক সমাবেশে অংশ নিতে শনিবার মিলানে জড়ো হচ্ছেন কট্টর ডানপন্থী নেতারা। এটি হাঙ্গেরির জাতীয়তাবাদী নেতা ভিক্টর অরবানের নির্বাচনী পরাজয়ের পর প্রথম সমাবেশ।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের তৃতীয় বৃহত্তম জোট ‘প্যাট্রিয়টস ফর ইউরোপ’ তাদের সমর্থকদের স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় মিলানের দুওমো ক্যাথেড্রালের সামনে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
আয়োজক ও ইতালির জাতীয়তাবাদী লিগ পার্টির নেতা মাত্তেও সালভিনি এই স্থাপনাটিকে ‘খ্রিস্টধর্মের প্রতীক’ হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
সমাবেশের স্লোগান হলোÑ ‘ভয় ছাড়াÑ ইউরোপে আমরা আমাদের ঘরের মালিক!’
ফ্রান্সের জর্ডান বারদেলা ও নেদারল্যান্ডসের গেয়ার্ট উইল্ডার্স সালভিনির আমন্ত্রণে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছেন।
সালভিনি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির জোট সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
চেক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ বাবিশকেও এই সমাবেশে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
স্পেনের ভক্স পার্টি সাম্প্রতিক সময়ে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে, এখনও তাদের কোনো প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানায়নি।
হাঙ্গেরিও এখনো অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেনি, যেখানে প্যাট্রিয়টস দলের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা অরবান ১৬ বছর পর ইইউ-পন্থী বিরোধী নেতা পিটার ম্যাগিয়ারের কাছে এক শোচনীয় নির্বাচনী পরাজয়ের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন।
ওই নির্বাচনের আগে ফ্রান্সের ন্যাশনাল র্যালি দলের প্রেসিডেন্ট মেরিন লে পেন বুদাপেস্টে গিয়ে অরবানকে সমর্থন জোগানোর চেষ্টা করেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ২০২৭ সাল কট্টর ডানপন্থীদের জন্য “অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ” হয়ে উঠছে।
নির্বাচনের আগে ফ্রান্সের ন্যাশনাল র্যালির সভাপতি মেরিন লে পেন বুদাপেস্টে গিয়ে অরবানকে সমর্থন দেন এবং বলেন, ২০২৭ সাল হবে ইউরোপীয় কট্টর ডানপন্থীদের জন্য ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বছর।
তিনি আরও বলেন, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন ও পোল্যান্ডে আসন্ন বড় নির্বাচনগুলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতিকে ‘ভিতর থেকে আমূল পরিবর্তনের সুযোগ’ দিতে পারে।
একই দিনে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম ও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা বার্সেলোনায় একটি প্রগতিশীল সমাবেশে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।