শিরোনাম

ঢাকা, ৬ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : আগের নির্বাচনে নিষ্ক্রিয় ছিলেন হাঙ্গেরির বিউটিশিয়ান ক্রিস্তিনা মেনচেল। তার মতো অনেক স্বেচ্ছাসেবীই তখন কিছু করেননি। সেই নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান ক্ষমতায় ছিলেন কিন্তু এবার ভিন্ন চিত্র। বিরোধী নেতা পিটার মাগয়ারের আশা, দীর্ঘ ১৬ বছরের অরবানের শাসনের অবসান ঘটানো। আর সেই লক্ষ্যে মেনচেলের মতো নতুন কর্মীরাই বড় ভরসা। হাঙ্গেরি ইয়াসফেনিসারু থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
৪১ বছর বয়সী মেনচেল বলেন, ‘দরজায় দরজায় প্রচারণার প্রভাব অনেক। যারা নিজেদের রাজনৈতিক মত প্রকাশ করতে সাহস পায় না, তারাও এসে আমাদের সঙ্গে কথা বলে।’
হাঙ্গেরির মধ্যাঞ্চলের শহর ইয়াসফেনিসারুতে এএফপিকে তিনি এসব কথা বলেন। প্রায় ৬ হাজার জনসংখ্যার এই শহর দীর্ঘদিন ধরে অরবানের ফিদেস দলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।
সরকারের ভেতরের সাবেক ব্যক্তি থেকে সমালোচকে পরিণত হওয়া মাগয়ার ভোটারদের সামনে বড় পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। অরবানের কথিত ‘অউদার’ ব্যবস্থার বিপরীতে তিনি দুর্নীতি দমন ও জনসেবা উন্নয়নের অঙ্গীকার করেছেন।
দলটির তৃণমূল নেটওয়ার্কের জোরে ইয়াসফেনিসারুর মতো ছোট শহরগুলোতে অরবানের প্রভাব দুর্বল হতে শুরু করেছে। ১২ এপ্রিলের ভোটের আগে এই পরিবর্তন স্পষ্ট হচ্ছে।
অরবান দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমে প্রভাব খাটিয়ে নিজের অবস্থান শক্ত রেখেছেন। তিনি প্রতিবেশী ইউক্রেনের সমালোচক। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনেক শীর্ষ বৈঠকেও বাধা সৃষ্টি করেছেন।
অন্যদিকে মাগয়ারের টিসজা দলকে নিজেদের বার্তা ছড়াতে নির্ভর করতে হচ্ছে মুখে মুখে প্রচারণার ওপর।
ক্ষমতাসীন দল যেখানে বিলবোর্ড ব্যবহার করছে, সেখানে টিসজা সমর্থকদের বাড়ি ও দোকানে দলের সাইনবোর্ড টাঙাতে বলেছে।
গত আগস্টে মাগয়ার যখন দেশজুড়ে প্রায় নিরবচ্ছিন্ন সফরের অংশ হিসেবে শহরটিতে আসেন, তখনই মেনচেল দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এখন তিনি প্রতিদিন তিন ঘণ্টা পর্যন্ত প্রচারণা চালান। পাশাপাশি টিসজার স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পেজও পরিচালনা করেন।