শিরোনাম

ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ইসলামিক স্টেট গ্রুপ গতকাল শনিবার তাদের যোদ্ধাদের সিরিয়ার নতুন সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছে।
প্রায় দুই বছর পর সংগঠনটির মুখপাত্রের প্রকাশিত প্রথম অডিও বার্তায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
অনলাইনে প্রকাশিত এক অডিও বার্তায় আবু হুজাইফা আল-আনসারী বলেন, ‘সিরিয়ায় অবস্থানরত আইএস সদস্যদের অবশ্যই নতুন সিরীয় শাসন ব্যবস্থা, তাদের ধর্মনিরপেক্ষ সরকার ও জাতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে এবং এটিকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।’
আল-আনসারী সর্বশেষ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে একটি অডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন।
সে সময় তিনি গাজায় ইসরাইলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে বিশ্বজুড়ে ইহুদিদের হত্যা করার জন্য আইএস সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানান।
দীর্ঘদিনের শাসক বাশার আল-আসাদকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত করার পর, সিরিয়ার নতুন কর্তৃপক্ষ উগ্র অতীত থেকে বেরিয়ে এসে একটি মধ্যপন্থী ভাবমূর্তি উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে।
সিরিয়ার নতুন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক সময় জিহাদি গোষ্ঠী আল-কায়েদার সম্পর্ক ছিল।
গত বছর সিরিয়া আইএস-এর বিরুদ্ধে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয়। এরপর থেকে দেশটি নিজ ভূখণ্ডে আইএস-এর অবশিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে হামলা ও অভিযান সমন্বয় করে আসছে।
মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সহায়তায়, ইরাক ২০১৭ সালে আইএস-এর পরাজয় ঘোষণা করে।
ওই ঘটনার দুই বছর পর সিরিয়ায় কুর্দি-নেতৃত্বাধীন বাহিনীর কাছে তাদের পরাজয় ঘটে।
গত মাসে সিরিয়ার সেনারা কুর্দি বাহিনীর বিরুদ্ধে অগ্রসর হয়, যার ফলে কুর্দি নিয়ন্ত্রিত কারাগারগুলোতে আটক আইএস বন্দিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যে ওয়াশিংটন সিরিয়া থেকে ৫ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি আইএস বন্দীকে ইরাকের কারাগারে স্থানান্তর করেছে।
এক সময় আইএস যোদ্ধাদের স্বজনদের আশ্রয় দেওয়া একটি শিবির এখন সম্পূর্ণ খালি হয়ে গেছে।
সেখানে থাকা বাসিন্দারা হয় স্বেচ্ছায় চলে গেছেন, নয়তো সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ তাদের নতুন একটি স্থানে স্থানান্তর করেছে।