বাসস
  ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:০০

গুয়াতেমালার অ্যাটর্নি জেনারেলকে অবৈধ দত্তক গ্রহণে জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্তের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের

ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : জাতিসংঘের একটি বিশেষজ্ঞ দল গতকাল সোমবার ১৯৮০-এর দশকে দেশটির গৃহযুদ্ধের সময় আদিবাসী শিশুদের অবৈধ দত্তক গ্রহণের সাথে গুয়াতেমালার অ্যাটর্নি জেনারেল মারিয়া কনসুয়েলো পোরাসের সম্ভাব্য জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। 

গতকাল সোমবার জেনেভায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তদন্তের আহ্বান জানানো হয়। পোরাস, অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে যার মেয়াদ মে মাসে শেষ হচ্ছে। 

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ১৯৬৮ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে আটক এবং জোরপূর্বক বন্দী ও গুম হওয়া পরিবারগুলোর কমপক্ষে ৮০ জন আদিবাসী শিশুকে অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক দত্তক দেওয়ার তথ্য পেয়েছেন। 

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ দলটি উল্লেখ করেছে যে, নাবালকদের এলিসা মার্টিনেজ অস্থায়ী হোমে নিয়ে যাওয়ার পর দত্তক নেওয়ার জন্য রাখা হয়। যেখানে পোরাস ২১ জানুয়ারি থেকে ৩০ আগস্ট, ১৯৮২ পর্যন্ত ‘শিশুদের আইনি অভিভাবক’ ছিলেন।

এএফপি পোরাসের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে গুয়াতেমালার প্রসিকিউটর কার্যালয়ের কাছ থেকে মন্তব্য চেয়েছিল,  তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পায়নি।

বিশেষজ্ঞরা পোরাসসহ সরকারি কর্মকর্তাদের দত্তক নেওয়ার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগের স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা গুয়াতেমালার সর্বোচ্চ আদালতে পোরাসের প্রার্থীতার সমালোচনা করেছেন এবং যারা ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্বাচন করেন তাদের ‘এই গুরুতর অভিযোগের আলোকে সতর্কতা অবলম্বন করার’ আহ্বান জানিয়েছেন।

৭২ বছর বয়সী এই প্রসিকিউটরকে দুর্নীতির জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পোরাস দুবার প্রেসিডেন্ট বার্নার্ডো আরেভালোর ক্ষমতার দাবিকে চ্যালেঞ্জ করেছেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তার শপথ গ্রহণের আগে তার সেমিলা দলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন।

সরকার এবং এনজিওগুলি অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে অপরাধীদের রক্ষা করার অভিযোগও করেছে, যা তিনি অস্বীকার করেছেন।